1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের জাগো নারী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নূর-উন-নাহার মেরীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক শূন্যতা দুমকি উপজেলা, স্থবির উন্নয়ন কার্যক্রম পাঁচবিবিতে মামলায় ফাঁসানোরপ্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন‎ পাঁচবিবি ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

দীর্ঘদিন কাশি? হতে পারে হার্টের সমস্যার লক্ষণ

  • প্রকাশকাল: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

অনেকেই অভিযোগ করেন, বারো মাসই তারা কাশিতে ভোগেন। তবে যদি ঠাণ্ডা না লাগার পরেও দীর্ঘদিন ধরে কাশি থাকে এবং মাঝে মাঝে কফের সঙ্গে রক্ত দেখা যায়, তবে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। চিকিৎসকদের মতে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এমন লক্ষণ হার্টের সমস্যার আগাম বার্তা হতে পারে।

হৃদরোগের অস্পষ্ট লক্ষণ
কফে লালচে বা গোলাপি রঙের রক্ত থাকা মানেই তা অ্যালার্জি বা সামান্য সংক্রমণের লক্ষণ নয়।

অনেকে নিজেরাই অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন, যা সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। চিকিৎসকরা বলছেন, একটানা শুকনো কাশি ও কফের সঙ্গে রক্ত বেরোনো ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’ বা হৃদরোগের এক প্রকার নীরব লক্ষণ হতে পারে। হৃদযন্ত্র ঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারলে তা ফুসফুসে জমা হতে থাকে, যার ফলে প্রদাহ তৈরি হয় এবং রক্ত মিশ্রিত মিউকাস গলা দিয়ে উঠে আসে। এর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, গলা বা ঘাড়ে ব্যথা, এমনকি চোয়ালেও অস্বস্তি হতে পারে।
এসব উপসর্গ দেখা দিলেই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

মহিলারা কেন বেশি ঝুঁকিতে?
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিলীপ কুমার জানান, অতিরিক্ত পরিশ্রম, অপুষ্টিকর খাবার এবং রজোনিবৃত্তির পর শারীরিক যত্নের অভাব নারীদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভারতের ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, নারীদের ৪০ শতাংশ মৃত্যুর পেছনে রয়েছে হৃদরোগ। এর পেছনে ধূমপান, মদ্যপান ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন অন্যতম কারণ।

হৃদরোগ প্রতিরোধে কী করবেন?
যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা পারিবারিক ইতিহাসে হৃদ্‌রোগ রয়েছে, তাদের জন্য ৩০ বা ৩৫ বছরের পর থেকেই বছরে একবার হৃদ্‌রোগ সম্পর্কিত কিছু নিয়মিত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যেমন- ইসিজি, রক্তচাপ পরীক্ষা, রক্তে চিনির মাত্রা, লিপিড প্রোফাইল, ‘সিটি ক্যালশিয়াম স্কোর’ (যা হৃদধমনীতে প্লাক জমছে কিনা তা জানায়)

জীবনযাপনে পরিবর্তন আনুন
প্রতিদিন অন্তত এক মাইল হাঁটার অভ্যাস করুন, ধূমপান ও মদ্যপান পুরোপুরি পরিহার করুন,পরিমিত ঘুম ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করুন।

শুকনো কাশি ও কফে রক্ত মানেই সবসময় সংক্রমণ নয়। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি হৃদরোগের একটি ‘সাইলেন্ট সিগন্যাল’ হতে পারে। সময়মতো পরীক্ষা ও জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ