1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল মহানগর ও জেলা দক্ষিণে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক কমিটি গঠন আসামীসহ ১ কষ্টি পাথরের তারা দেবী মূর্তি আটক ময়মনসিংহ বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে অবৈধ সার মজুদকারীকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান নরসিংদীতে রায়পুরায় পুলিশের যৌথ অভিযানে ২২৪ কেজি গাঁজা, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ধোলাইপাড়ে বিভিন্ন ক্লাবের মাঝে এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদে কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনালী ব্যাংক থেকে দিনে-দুপুরে ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে যুবক সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে আতিক-সোহেল-আবু হানিফ-শাহাব চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
খুলনা‌ ২৪এপ্রিল শুক্রবার ডুমুরিয়াসহ বর্তমান সময়ের কৃষকদের একটি বড় কষ্টের প্রতিফলন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম আর শ্রমিকের মজুরির মধ্যে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, তা কৃষিকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে আপনার কথার সত্যতা পাওয়া যায়।
মজুরি বনাম ধানের দাম: ডুমুরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে, এক মণ (৪০ কেজি) কাঁচা ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অথচ একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দিতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। অর্থাৎ, সারাদিন কাজ করার জন্য একজন শ্রমিককে যে টাকা দিতে হয়, তা এক মণ ধান বিক্রি করেও জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।
উৎপাদন খরচ: ডিজেল, সার এবং বীজের দাম বাড়ায় বর্তমানে এক মণ বোরো ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ পড়ছে প্রায় ১২০০ টাকার বেশি। সেই তুলনায় বাজারের বর্তমান দাম উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম, যা কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে ফেলছে।
সরকারি সংগ্রহ মূল্য: সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ৩৬ টাকা (মণ প্রতি ১৪৪০ টাকা) নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই সরকারি সংগ্রহ অভিযান শুরু হতে কিছুটা দেরি হওয়ায় (মে মাসের শুরু থেকে) প্রান্তিক কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে ফড়িয়া বা চাতাল মালিকদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।
মজুত করার সক্ষমতা: সম্ভব হলে ধান কাটার পরপরই সবটুকু বিক্রি না করে কিছু দিন ঘরে ধরে রাখা। সাধারণত মৌসুম শেষ হওয়ার ১-২ মাস পর ধানের দাম বাড়তে শুরু করে।
সমবায় ভিত্তিক বিপণন: কয়েকজন কৃষক মিলে দলগতভাবে সরাসরি বড় রাইস মিলে ধান সরবরাহ করলে ছোট ব্যবসায়ীদের তুলনায় ভালো দাম পাওয়া সম্ভব।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, সরকার যদি সরাসরি প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার পরিমাণ বাড়ায় এবং আধুনিক লজিস্টিক সাপোর্ট (যেমন: শস্য গুদাম) বৃদ্ধি করে, তবে এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগ্রহী কৃষকরা চাইলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ধান বিক্রয় করতে পারবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ