1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তিনদিনব্যাপী গ্রীন রোড শো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আবু সুফিয়ান এমপিপরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে গ্যাসের দামে পানি কিনছেন খাগড়াছড়িবাসী! সিলিন্ডার জালিয়াতির ঘটনায় জরিমানা খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্যবিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন—–ডা. শফিকুর রহমান কুড়িগ্রামে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র ইউনিয়ন যুগ্ন আহবায়ককে কুপিয়ে জখম পাঁচবিবিতে সামাজিক বনায়ন বৃক্ষরোপণ রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি রোকনপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদকদ্রব্য আটক। মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত পুকুর খননে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি এমপি লিটনের নরসিংদীর শখের পাঁচ সিল্কি মুরগি থেকে সফল উদ্যোক্তা স্কুল শিক্ষক মোবারক

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

আলোকিত মানুষ গড়ার নামে এলিট সংস্কৃতির বিকাশের সমালোচনা। ঢাকা: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কর্তৃক সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় থেকে গ্রহণ করা কোটি কোটি টাকার অনুদানের অর্থের উৎস ও ব্যবহার নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভাইস চ্যান্সেলর মনে করেন, আলোকিত মানুষ গড়ার নাম করে মূলত একটি বিশেষ ‘এলিট’ শ্রেণির জন্য কাজ করা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মেহনতি মানুষের কোনো স্থান নেই।

এক বিবৃতিতে ড. আসিফ মিজান বলেন, “আমরা জানতাম না যে স্যার (আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ) সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা অনুদান নিয়ে কেবল উচ্চবিত্ত বা এলিট শ্রেণির শহুরে মানুষের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলছেন। জনকল্যাণ ও শিক্ষার প্রসারের নামে প্রাপ্ত এই বিপুল অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।”

বিবৃতিতে তিনি প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের পূর্বের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, প্রবাসী শ্রমিকদের বিমানের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একদা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছিলেন- “বিমানে চড়লে দেখবেন আমাদের শ্রমিক ভাইদের অবস্থা। তারা এমনভাবে খাবার খায় বা আচরণ করে যা দেখে মনে হয় না তারা সভ্য জগতের সাথে পরিচিত। এদের কোনো রুচিবোধ নেই, কোনো শিষ্টাচার নেই।”

এই মন্তব্যের সমালোচনা করে ড. আসিফ মিজান বলেন, “স্যার এলিট ডান-বাম, সাদা-কালো সবার সাথেই পানির মতো মিশে যেতে পারেন, কিন্তু আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তাঁর এই তীব্র ক্ষোভ আমাদের ব্যথিত করে। আহারে স্যার! এই প্রবাসী শ্রমিকদের তো আর আপনার ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’ থেকে বই নিয়ে তথাকথিত বিড়ালতপস্বী হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। তাই বলে কি তাদের আপনি অসভ্য বা রুচিহীন বলবেন?”

তিনি আরও বলেন, “আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রথম শর্তই হলো মানুষকে মর্যাদা দিতে শেখা। রাষ্ট্রীয় অনুদান নিয়ে একশ্রেণির মানুষকে আলোকিত করবেন আর মূল কারিগর শ্রমিকদের অবজ্ঞা করবেন- তা হতে পারে না। এই অর্থের বণ্টন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে উচ্চতর তদন্ত এখন সময়ের দাবি।”

বিবৃতিতে ড. মিজান সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ