1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভাইগড় সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা ২০ বিজিবি কড়া অবস্থানে ব্যর্থ বিএসএফ রাজশাহীতে সোনার বার সহ গ্রেপ্তার ২ ​অর্থসংকটে ৬ মাস ধরে বন্ধ সাদুল্লাপুরের নয়ানপুর ঈদগাহ মাঠের মিনার নির্মাণকাজ হাসির আড়ালে জমা কান্না: অভাবের সংসারে ভালো থাকার লড়াই লাকসাম কালচারাল সেন্টারের বর্ষপূর্তি: চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় মুখরিত নবীনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ কালিয়াকৈরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিরতা করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সমাবেশ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মোবাইলসহ যুবক আটক কালিয়াকৈরে চন্দ্রা এিমোড়ের মহাসড়কের পাশে অবৈধ ফুটপাতের দখলে রমরমাট ব্যবসা গঙ্গাচড়ায় জমি নিয়ে বিরোধেের জেরে বাড়ি ঘর ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ

এক খেয়া পারাপারে মাসে অতিরিক্ত হাতিয়ে নেয় ৭৫ হাজার টাকা।। আওয়ামীলীগ’র সিস্টেমই সচল।।

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)\
আওয়ামী লীগের পতনের আট মাস পরেও তেগাছিয়া-সোনাতলা খেয়া পারাপারে যাত্রীদের জিম্মিদশার অবসান হয়নি। জনপ্রতি পাঁচ টাকার পরিবর্তে জোর করে যাত্রীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ১০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিগত সরকারের চাঁদা আদায়ের এই সিস্টেমকে আরেক রাজনৈতিক দলের অনুসারিরা সচল রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে মানুষ একান ওকান আলোচনা করছেন। প্রশ্ন করছেন এর শেষ হবে কবে।
খেয়ার চালকের দেওয়া তথ্যমতে, সোনাতলা নদী পারাপার হয়ে ওই পথে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ শ’ মানুষ খেয়া পারাপার হয়। আর এদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা করে আদায় করা হলে দৈনিক অতিরিক্ত হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অন্তত আড়াই হাজার টাকা। মাসে ৭৫ হাজার, বছরে কমপক্ষে নয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চাঁদাবাজ ওই চক্রটি। খেয়ার আদায়কারী সজিব সোজা, সহজভাবেই জানালেন, আওয়ামী লীগের লোকজন নাই। এখন তারা চালান।
স্থানীয় গোলবুনিয়া গ্রামের গাজী বাড়ির দুই জনে খেয়া চালায়। সাধারণ মানুষ ভয়ে, মান-ইজ্জত নষ্টের শঙ্কায় এখন আর প্রতিবাদ কিংবা অনুযোগ, ক্ষোভ কোনটাই তেমন জানায় না। তাদের অনেকের প্রশ্ন গত এক যুগ ধরে বলতে বলতে কখনো কয়েকদিন ঠিক ছিল। আবার যেই সেই। স্থানীয়রা জানান, দিনে যাত্রী প্রতি ১০ টাকা নিলেও রাতে নেওয়া হয় আরো দিগুন, তিনগুন বেশি। আবার মোটর সাইকেল পারাপার করলে নেওয়া হয় ৪০-৫০ টাকা। এভাবে নীরবে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে চাঁদাবাজদের মতো বছরে নয়-দশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া দমনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের। ভুক্তভোগীরা এর অবসান চেয়েছেন। পাশাপাশি খেয়াঘাটে পারাপারের একটি রেটচার্ট টানানোর বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করেন।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম জানান, তিনি বিষয়টি নিরসনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নিবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ