1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নরসিংদীর শিবপুর শেরপুর গ্রামে ১২ বছরের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর প্রাণনাশের হুমকি। গঙ্গাচড়া বেতগাড়ী গরুর হাটে সরকারি নীতিমালা ভেঙে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় খানাখন্দে মৃত্যু ফাঁদ! অবশেষে সুবর্ণচরে স্বস্তি ফিরালেন নাছির উদ্দীন নাছির ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নারীর টানে বাড়ি ফেরা মানুষের বাংলাদেশ প্রেস ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ব্রাহ্মণপাড়া থানা ও বিজিবির বিশেষ পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী সহ গ্রেফতার ০৩ আমতলীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: চাকা ফেটে ব্রিজে ধাক্কা, প্রাণ গেল হেল্পারের পুবাইলে সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল আজহা শুভেচ্ছার জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ২৯টি চোরাই মোবাইল জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ পুবাইলে সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল আজহা শুভেচ্ছার জানিয়েছেন কিরণ ৫৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পদ পার্থী

গঙ্গাচড়া বেতগাড়ী গরুর হাটে সরকারি নীতিমালা ভেঙে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী গরুর হাটে সরকারি নীতিমালা ভেঙে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও চাঁদাবাজির মতো পরিস্থিতি চলছে বলে স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সরকারি ফি উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে, যা ঈদউল আজহা গরুর হাট উপলক্ষে কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছায় বলে দাবি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ফি নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। গরু কেনাবেচার ক্ষেত্রে রশিদে উল্লেখিত ৬০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। একইভাবে বিক্রেতাদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ছাগল কেনাবেচার ক্ষেত্রেও ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি নির্ধারিত ২২০ টাকার পরিবর্তে প্রতি ছাগল লেনদেনে প্রায় ৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে জানান একাধিক ক্রেতা ও বিক্রেতা। অভিযোগ রয়েছে, এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়ের কাছ থেকেই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে যাহা নিয়ম বহির্ভূত। 

অন্যদিকে হাঁস-মুরগির মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এ অনিয়ম থেকে বাদ পড়ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতি পিস হাঁস বা মুরগির জন্য ১০ টাকা করে জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে স্থানীয়রা বলছেন, হাট এলাকায় সরকারি নির্ধারিত ফি তালিকা প্রকাশ্যে টানানোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেখানে এমন কোনো তালিকা দেখা যায়নি। এতে করে সাধারণ মানুষ প্রকৃত ফি সম্পর্কে জানতে পারছেন না এবং ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

হাটে দায়িত্বে থাকা একাধিক রশিদ লেখক ও মোোঃ হাসান মিয়া ও ছমিউর রহমান, বলেন আমরা হাট ইজারাদার এর নির্দেশে ক্রেতার কাছে ৮ শত টাকা ও বিক্রেতার কাছে ৩ শত টাকা আদায় করছি এখানে আমাদের কোন নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেই, গরু প্রতি আমরা ৫০ টাকা করে পাব। করে জানান, তারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নেন না। ইজারাদার পক্ষের নির্দেশ অনুযায়ীই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় বলে তারা দাবি করেন।

ক্ষুব্ধ এক বিক্রেতা মুকুল মিয়া বলেন, “এটা আর হাট নেই, এটা জোর করে টাকা নেওয়ার জায়গা হয়ে গেছে। সরকার এক নিয়ম দেয়, আর এখানে এসে দেখি আরেক নিয়ম। গরিব মানুষের ওপর জুলুম চলছে।”

ধনতলা এলাকা থেকে আসা ক্রেতা বাচ্চা মিয়া বলেন, “প্রতিবাদ করলেই ভয় দেখানো হয়। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।”

এ বিষয়ে হাটের ইজারাদার আবিদা সুলতানার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত হাসিল আদায় বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ( ভূমি) হামিদুল ইসলাম বলেন আমি বর্তমান হাটে অবস্থান করছি অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছি,প্রমাণ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব, প্রশাসনের যোগসাজসে অতিরিক্ত চাঁদা আদায় ক্রেতার দাবীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন জনগণ অনেক কিছুই মনে করতে পারে কিন্তু ইজারাদারের সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে অভিযোেগরবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে বেতগাড়ী হাটে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ