1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে আলোচনা সভা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে চিত্রাংকন, আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরে শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত: নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন যেকোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে – ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  মীরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় এক আসামি গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পদপ্রার্থী ঈদ মিলন উৎসবে এসে ব্যাপক সাড়া পেলেন ঈদ সামগ্রী বিতরণে অনিয়মে প্রতিবাদ করা, আসাদুজ্জামান নূর নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ঠাকুরগাঁওয়ে ‘আমরা গড়েয়াবাসী’র উদ্যোগে ২ শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

কেরানীগঞ্জের সেই কালা মাগুর এবার নিষিদ্ধ পলিথিনের দালাল

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষে দালালি করেছে কালা মাগুর খ্যাত শাহীন গাজী নামে এক সাংবাদিক। সে স্থানীয় কয়েক সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে প্রভাবিত করে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষ হয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কালা মাগুর খ্যাত ওই সাংবাদিক দেশের স্বনামধন্য একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।
জানা গেছে , অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর নাম আমিনুল ইসলাম আনিস। সে দীর্ঘদিন ধরে কেরানীগঞ্জে গোডাউন নিয়ে অবৈধ পলিথিন মজুদ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।
এ নিয়ে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ হয় এবং সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা ও আনিস কে জরিমানা করা হয়। অবৈধ পলিথিন জব্দ বিষয় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করে । এরপর দালাল ধরে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস। আর যাদের ম্যানেজ করতে না পারে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সহযোগী কিছু দালাল।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের কিছু মালামাল লুট হয়েছে। সে মর্মে তারা একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার নামে দুজন স্বনামধন্য সাংবাদিককে অভিযুক্ত করে পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। এই অভিযোগ তার পিছনে ইন্ধনদাতা ছিল কালামাগুর শাহিন গাজী। এই শাহিন গাজী এর আগে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন বাড়ির ভবন মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদ প্রকাশের কথা বলে টাকা হাতানোর অভিযোগ আছে। বিভিন্ন নামিদামী পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ প্রকাশ করার কথা বলে সংবাদ সম্মেলন নাম করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের হারানো মাল উদ্ধার করে দেয়ার জন্য শাহিন গাজী নিয়মিত মাসোহারা ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে আনিসের সঙ্গে থানায় নিয়ে আনিসকে দিয়ে প্রতিবাদী দুই সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করে হলে তারা জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তার জব্দকৃত পলিথিনের সংবাদ প্রকাশের জেরে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় আনিস। এরপর আমাদের ঘায়েল করতে শাহীন গাজীর পরামর্শে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করায় , অভিযোগে আনিত বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এতে আমাদের সম্মানহানি হয়েছে। অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত সহায়তা গ্রহণ করব। এছাড়া দেশের স্বার্থে , দেশের মানুষের স্বার্থে অবৈধ পলিথিন এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদী কলম চলতেই থাকবে। এতে যত প্রকার বাঁধাই আসুক আমরা হার মানবো না।

একটি সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের মালামাল লুট হয়েছে বলে থানা পুলিশে যে অভিযোগ করেছেন, তবে কি মালামাল লুট হয়েছে তার সঠিক কোন বর্ণনা উল্লেখ করা হয়নি , মুলত লুট হওয়া মালামাল অবৈধ পলিথিন ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। যদি সেটি অবৈধ পলিথিন হয়ে থাকে তাহলে থানা পুলিশে কিভাবে অভিযোগ গ্রহণ করল। নাকি কোন মালামাল লুট হয়নি সেনিয়ে সন্দেহ রয়েছে। নাকি দুই সাংবাদিক কে ঘায়েল করতে এই নাটক সাজিয়েছে সেটিও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। তাছাড়া ঘটনার দিন ওই দুই সাংবাদিক লুট হওয়া স্থানে ছিল কিনা সেটিও খুঁজে বের করা উচিত।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক শাহিন গাজী গত এক বছর ধরে কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকতা করছেন, এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অন্যতম বহুল প্রচারিত দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় অনলাইনে দালালি প্রসঙ্গে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যেখানে তার কুকর্মের আমলনামা তুলে ধরা হয়।

শাহিন গাজী পরবর্তীতে এক সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে অনুরোধ করায় নিউজটি সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখে দৈনিক আমার দেশ কর্তৃপক্ষ। যদিও নিউজটি বন্ধ করার আগেই অনেকে সেটি কপি করে রেখে দিয়েছে।
এরপরেও তার অবৈধ দৌড়ত্ব কমেনি। শাহিন গাজী স্থানীয় সাংবাদিকদের কথায় কথায় প্রত্যেকটি মিডিয়া হাউজে তার লোক রয়েছে বলে চাকরি দেয়া ও নেয়ার হুমকি ধামকি দেয়।

আমার দেশ পত্রিকার অনলাইন সংবাদের কপি এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। এছাড়া স্থানীয়দের শাহিন গাজীর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি জানতে শাহীন গাজীকে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে সে তার বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগ অস্বীকার করেন।

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় জানতে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল আলমের কাছে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা যথাযথ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ