1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে আলোচনা সভা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে চিত্রাংকন, আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরে শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত: নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন যেকোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে – ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  মীরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় এক আসামি গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পদপ্রার্থী ঈদ মিলন উৎসবে এসে ব্যাপক সাড়া পেলেন ঈদ সামগ্রী বিতরণে অনিয়মে প্রতিবাদ করা, আসাদুজ্জামান নূর নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ঠাকুরগাঁওয়ে ‘আমরা গড়েয়াবাসী’র উদ্যোগে ২ শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

গোদাগাড়ীতে এএসআই লতিফার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যে

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

মো:গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় কর্মরত নারী এএসআই (নিঃ) লতিফা খাতুনের বিরুদ্ধে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে ঘুষ গ্রহণ, টাকা দাবি এবং চরম দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। জিডি থেকে শুরু করে অভিযোগ দায়ের—সবক্ষেত্রেই তার লালসার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমনকি দরিদ্র ভ্যানচালক কিংবা ৮৫ বছরের বৃদ্ধের টাকা হাতিয়ে নিতেও তার হাত কাঁপছে না বলে জানা গেছে।

​জিডি করতেও গুনতে হয় টাকা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক ভুক্তভোগী তার গাড়ির কাগজ হারিয়ে যাওয়ায় থানায় জিডি করতে যান। অভিযোগ রয়েছে, জিডি লিখে দেওয়ার নাম করে এএসআই লতিফা ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ২০০ টাকা হাতিয়ে নেন। এখানেই শেষ নয়, জিডি জমা দেওয়ার সময় তিনি আরও ১০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে থানায় কর্মরত অন্য এক পুলিশ সদস্যের হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ওই ১০০০ টাকা নিতে ব্যর্থ হন লতিফা খাতুন।

​ছাড় পাচ্ছেন না ভ্যানচালক ও বৃদ্ধরাও লতিফা খাতুনের অনৈতিক দাবির শিকার হয়েছেন দিগ্রাম এলাকার এক অসহায় ভ্যানচালকও। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ওই ভ্যানচালকের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা হাতিয়ে নেন এই নারী পুলিশ কর্মকর্তা। এছাড়া বিদিরপুর এলাকার ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ মোঃ শাজাহান আলীও তার হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
​ভুক্তভোগীদের দীর্ঘ তালিকা অনুসন্ধানে জানা গেছে, এএসআই লতিফা খাতুনের হাতে বিভিন্ন সময় আর্থিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা হয়েছেন:
১. শ্রী মুকুল মিঞ্জ (৩২), আগলপুর বাগানপাড়া।
২. মৌসুমি বেগম (৩৫), মাটিকাটা কারির মোড়।
৩. মোসাঃ মানসুরা বেগম, মহব্বতপুর।
৪. মোসাঃ মিলিয়ারা (৩০), দেবিনগর কলিকাতা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)।
৫. শুনিল মুর্মু, পাথরঘাটা।
৬. মোঃ মাফিকুল ইসলাম (৫৫), চর বয়ারমারি।
৭. মোঃ আমিনুল ইসলাম (ফারুক), মোমিন পাড়া।
৮. মোসাঃ বেলিয়ারা বেগম, কলিপুর।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাউকে ২০০, কাউকে ৫০০, আবার কাউকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে বাধ্য করেছেন লতিফা। টাকা ছাড়া তার কলম চলে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
​আচরণ নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এএসআই লতিফার আচার-ব্যবহার এবং ভাষা অপেশাদারিত্বের চূড়ান্ত পর্যায়ে। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সাথে কারণে-অকারণে রাগারাগি ও দুর্ব্যবহার করা তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, তার এমন আচরণের কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
​বিপরীত চিত্রে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তা আশ্চর্যের বিষয় হলো, স্থানীয়রা গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং তদন্ত কর্মকর্তার সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সাধারণ মানুষের মতে, ঊর্ধ্বতন এই দুই কর্মকর্তা অত্যন্ত আন্তরিক এবং জনবান্ধব। তবে এএসআই লতিফার মতো অধস্তন কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে পুরো থানার সুনাম প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
​গোদাগাড়ীর সাধারণ মানুষ এই দুর্নীতিবাজ ও রূঢ় আচরণের নারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষ দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ