1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের জাগো নারী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নূর-উন-নাহার মেরীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক শূন্যতা দুমকি উপজেলা, স্থবির উন্নয়ন কার্যক্রম পাঁচবিবিতে মামলায় ফাঁসানোরপ্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন‎ পাঁচবিবি ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

পানছড়িতে জেএসএস–ইউপিডিএফ সংঘাত: গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের হামলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে পানছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) পানছড়ি উপজেলার ৫ নম্বর উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দলের মুখোমুখি হন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে দাবি করেন, সন্তু গ্রুপের ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দল বড়কোণা এলাকায় আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় সংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে আপন ত্রিপুরা তাদের সামনে পড়লে তাকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

বিবৃতিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে “কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক” আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় খুন, অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালেও প্রশাসন সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তিনি অবিলম্বে আপন ত্রিপুরা হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং খুনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ