স্টাফ রিপোর্টার :
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভূমিদস বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন চাঁদাবাজ দখলবাজদের জন্য জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে তখনি একশ্রেণীর চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরকম একজন চাঁদাবাজ রতন ওরফে চেয়ারম্যান রতন, তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সে ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন সেটেলমেন্টের কাজ করে। পরিচয় দেয় বিভিন্ন নেতাকর্মীদের এবং বিভিন্ন মন্ত্রীদের সাথে তার রয়েছে সখ্যতা। খিলক্ষেত নিকুঞ্জে ব্যবসা করেন একজন ব্যবসায়ী ব্যবসায়িক দেনা পাওনা কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ভয় দেখিয়ে বেশ কয়েকবার বিকাশের মাধ্যমে কথিত রতন তার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা। বিভিন্ন সময় টাকা দিতে ওই ব্যবসায়ী অপরগতা জানালে তাকে মোবাইলে মেসেজ এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি দেয়। এবং তাকে তার মুঠোফোনে ফোন দিয়ে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে। জাতীয়তাবাদী দলের নেতা পরিচয় দেওয়া এই রতনের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ ইতিমধ্যে সে সদ্য নির্বাচিত হওয়া বিভিন্ন সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী এমপিদের সাথে ছবি তুলে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে নিজেকে বড় ধরনের নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে সমাজে। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলেও কিছু কিছু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জ সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে বিভিন্ন সেটেলমেন্টে জড়িয়ে হাতিয়ে নিত টাকা ঠিক তেমনি ভাবেই রতন ওরফে চেয়ারম্যান রতন মতিঝিল সহ উত্তরা ও বিভিন্ন এলাকায় একটি সিন্ডিকেট চক্র গড়ে তুলেছে এবং এই চক্রের কাজ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা আদায় করা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় এই রতন আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী লীগ নেতা ছিল তখন মানুষকে আওয়ামী লীগের ভয় দেখাতো নির্বাচনে বিএনপি বিজয় হওয়ার পর সেও ভোল পাল্টে এখন নিজেকে বিএনপির নেতা বলে পরিচয় দেয়। এ বিষয় নিয়ে ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি ইতিমধ্যে তুরাগ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। কে এই রতন কি তার পরিচয় আগামী পর্ব থাকবে বিস্তারিত চোখ রাখুন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকায়। জাতীয়তাবাদী বিএনপির আমলে কোন ফ্যাসিবাদ কুচক্রী মহলের স্থান হবে না এই দেশে। সবাই আসবে আইনের আওতায় এমনটাই প্রত্যাশা সবার আগে সোনার বাংলা পরে অন্য সব সাধু সাবধান।
Leave a Reply