মোঃ মেহেদী হাসান স্টাফ রিপোর্টের : গাইবান্ধার সাঘাটায় কৃষি জমির অগভীর সেচ সংযোগ বিচ্ছিন্নের পাঁয়তারার অভিযোগে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে এক কৃষক সেচ গ্রাহক। গ্রাহক নামীয় সেই সেচ সংযোগ বিচ্ছিন্নে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না জানতে চেয়ে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম সহ আট জন বিবাদীকে পনের দিনের মাঝে কারণ দশার্নোর নোটিশ দিয়েছেন সাঘাটার বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত।
মামলা সূত্রে, সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের গোলাম সরোয়ার গত ২০২২ সালে একটি অগভীর নলকূপ স্থাপন করে। এরপর উপজেলা সেচ কমিটি তদন্ত শেষে তাকে অ/১৯০৮ নং সেচ লাইসেন্স প্রদান করে। সেচ লাইসেন্স প্রদান করার পর উপজেলা সেচ কমিটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সেচ সংযোগটির লাইসেন্স বাতিল করে। পরবর্তীতে এ গ্রাহক সাঘাটার বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে লাইসেন্স ফেরত চেয়ে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম সহ আট জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে যার মামলা নং—৮৮/২৫ ইং। বাদী সূত্রে জানা যায়, মামলাটি বর্তমান পর্যন্ত চলমান রয়েছে।
এদিকে, নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল ও যাবতীয় নিয়ম মানা সত্বেও এ গ্রাহকের দাবি মামলা চলমান অবস্থায় বকেয়া বিল এবং ভুল মাপযোগে গড়িমসি দুরত্ব দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ তার নামীয় সেচ যন্ত্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাঁয়তারা করছে। এ নিয়ে সংশয় দেখা দিলে আদালতে সেচ গ্রাহক গোলাম সরোয়ার সোহাগ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নরোধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার এ আবেদন জানায়।
এ বিষয়ে সেচ গ্রাহক গোলাম সরোয়ার বলেন, পল্লী বিদ্যুতের বোনারপাড়া জোনাল অফিসের দুইজন লাইনম্যান সংযোগ বিচ্ছিন্নের কাগজ সহ আমার সেচ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে মামলা চলমান জানিয়ে আমি বাধা দেই। পরে এ বিষয়ে আদালতের কাছে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে আদালত কারণ দশার্নোর নির্দেশ প্রদান করেছেন।
কারণ দর্শানোর নোটিশ দেখিয়ে বিষয়টি জানতে বোনারপাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. জালাল উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলেন, আমি এসব কাগজপত্রের হাফেজ। আমরা সংযোগ কাটব। কোর্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করুক। কোর্ট কারণ দশার্ইছে কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারি করে নাই।
Leave a Reply