1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালপুরে “মজলুমের কণ্ঠ”পত্রিকার ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি কোয়ার্টারে চেম্বার খুলে চড়া ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ, ড. সাদ্দাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য গাজীপুর মাদক বিরোধের জেরে নুরুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা ভুল ইনজেকশনে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, বগুড়ার শজিমেকে স্বজন-চিকিৎসক সংঘর্ষ, কর্মবিরতিতে ইন্টার্নরা অসাধারণ সাফল্য এনেছেন আর, এম, পি, পুলিশ কমিশনার ত্রিশালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি, বৃষ্টিতেও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি পরিবার সহ মার্কিন রাষ্ট্রদূতেরঠাকুরগাঁও লোকায়ন জীববৈচিত্র জাদুঘর পরিদর্শন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এইচ এম সাইফুল্লাহ আজাদের শুভেচ্ছা বিএনপির ৪৮ বছরে সেনবাগে শক্তির প্রদর্শন, ফারুকের নেতৃত্বে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ নবীনগরে বেহাল সড়কে অটোরিকশা উল্টে চরম দুর্ভোগ পুবাইল ঘর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি কোয়ার্টারে চেম্বার খুলে চড়া ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ, ড. সাদ্দাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

  • প্রকাশকাল: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি কোয়ার্টারে চেম্বার খুলে চড়া ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ, ড. সাদ্দাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত কয়েকজন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সরকারি কোয়ার্টারে বসে ব্যক্তিগত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কোয়ার্টারে রোগী দেখে অতিরিক্ত ভিজিট নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টারে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে অবস্থান করে চিকিৎসকরা সকাল থেকে শুরু করে দুপুর, বিকেল ও রাত পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখেন।

সরকারি আবাসন ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

সরকারি চাকরির সুযোগ-সুবিধা ও কোয়ার্টার ব্যবহার করেও রোগীদের কাছ থেকে তুলনামূলক অনেক বেশি ভিজিট নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর, নিম্নআয়ের মানুষ ও দরিদ্র রোগীদের জন্য এই চড়া ভিজিট বহন করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

​স্থানীয়দের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১০ জন চিকিৎসক বসবাস করেন।

এর মধ্যে ডা. সাদ্দামের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। ভুক্তভোগীদের দাবি, গরিব রোগীদের ক্ষেত্রেও তাঁর কোনো ছাড় নেই। এমনকি কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর মৃত্যু সনদ (ডেথ সার্টিফিকেট) আনতে গেলেও তাঁর কাছে টাকা দিতে হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যু সনদ দেওয়ার জন্য তিনি সর্বনিম্ন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন।

অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ডা. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “আমি ভিজিট নিই প্রথমবার ৫০০ টাকা, পরবর্তীতে ৩০০ টাকা। আমি গরিব রোগীদের ক্ষেত্রে ছাড় দিই।

মৃত্যু সনদ আনতে সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা নিই, এর বেশি না।”

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান, “কোয়ার্টারে ফ্যামিলি নিয়ে থাকার জন্য দিছে সরকার, কিন্তু চেম্বার খুলে বসার জন্য দেওয়ার অনুমতি বা সঠিক কিনা তা আমার জানা নাই।”

এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন, সরকারি কোয়ার্টারে ব্যক্তিগত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার কোনো আইনি অনুমতি থাকলে তার নিয়ম-কানুন ও ভিজিটের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হোক।

আর যদি এ ধরনের কার্যক্রম বিধিবহির্ভূত হয়, তবে তা বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের কথা বিবেচনা করে চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে মানবিক ও যৌক্তিক ভিজিট নির্ধারণ এবং পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ