প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সেনবাগ জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। সকাল থেকেই সেনবাগ বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে যোগ দেন।
এ সময় পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে নেতাকর্মীদের মাঝে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আজ দেশের মানুষের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ দিনে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দল ও দেশের স্বার্থে সকল ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু আনন্দ উদযাপনের দিন নয়, বরং দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিএনপির দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন। এ সময় নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও দেশের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
র্যালির নেতৃত্ব দেন নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুক। তাঁর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো সেনবাগ বাজারের প্রধান সড়ক নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে।
বিপুল নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ বর্ণাঢ্য র্যালি নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। কর্মসূচি শেষে দলের উত্তরোত্তর সাফল্য, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও জনগণের কল্যাণ কামনা করা হয়।
Leave a Reply