বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১। আসামি রাফিদ শিকদার (২৮) এর সাথে ভিকটিমের পূর্বপরিচিত হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ও কথাবার্তা বলত। একপর্যায়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে আসামি ভিকটিমের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। আসামি রাফিদ শিকদার ভিকটিমের কাছে টাকা দাবি করে অন্যথায় তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রাদান করে। ভিকটিম এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করলেও আসামি তার দাবি অব্যাহত রাখে। ভিকটিম বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের অবহিত করেন। একপর্যায়ে গত ১১/০৪/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০৯.০০ হতে ১০.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামি রাফিদ শিকদার পুনরায় ভিকটিমকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে পূর্বে ধারণকৃত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ভিকটিমকে পাঠায়।
২। উক্ত ঘটনায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
৩। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৩১/০৮/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২০:৫০ ঘটিকায় র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার লালবাগ থানাধীন আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত পর্নোগ্রাফি মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি রাফিদ শিকদার (২৮), পিতা- মুজিবুল্লাহ সিকদার, সাং- এলিফেন্ট রোড, থানা- নিউমার্কেট, ডিএমপি ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
Leave a Reply