1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নরসিংদীতে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বণিক সমিতির নতুন পরিষদের প্রতি আহ্বান ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঠাকুরগাঁও পুলিশ কোর্টের বার্ষিক পরিদর্শন ময়মনসিংহ জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগেনগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ১৭ জেলে আটক কলকাতায় পালিত হলো বাংলার শিক্ষক দিবস, বিদ্যাসাগরের আদর্শে পথ চলার শপথ কচুয়া আলিম মাদ্রাসায় নবীন বরণ,ছবক প্রদান ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত রাজপথের লড়াই থেকে জনসেবার প্রত্যয়ে: মেম্বার প্রার্থী সোহাগ ফকির ঠাকুরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে সমতাভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নারীপক্ষের আলোচনা নবীনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দারিদ্র্যকে জয় করে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জাহিদ, চিকিৎসক হতে চায়!

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
দারিদ্র্যকে জয় করে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জাহিদ, চিকিৎসক হতে চায়!

সাধন সাহা জয়
​ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

অভাব-অনটন নিত্যদিনের সঙ্গী। বাবা দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান। তবুও সব প্রতিকূলতা আর দারিদ্র্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতি সন্তানের স্বাক্ষর রেখেছে মো. জাহিদ হোসেন।

সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছে।

​জাহিদ কসবা উপজেলার আড়াইবাড়ি গ্রামের দরিদ্র মো. আলাউদ্দিন ও দম্পতি গৃহিণী মায়ের সন্তান। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সে তৃতীয়।

​জানা গেছে, জাহিদের বাবা মো. আলাউদ্দিন একজন রাজমিস্ত্রির সহযোগী (দিনমজুর) হিসেবে কাজ করেন। পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা দূর করতে অতীতে ধারদেনা করে বড় ভাইকে প্রবাসে পাঠানো হলেও তিনি এখনো সেভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেননি।

পরিবারের সব সদস্য মিলে বসবাস করেন একটি মাত্র টিনের ঘরে। এমন টানাপোড়েনের সংসারেও জাহিদ তার পড়াশোনা চালিয়ে গেছে অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে।

​পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে গ্রেড পয়েন্ট ৫.০০সহ সে মোট ১১৩১ নম্বর অর্জন করেছে।

তার এই সাফল্যে পরিবারে বইছে আনন্দের বন্যা। পাশাপাশি খুশি প্রতিবেশী, শিক্ষকসহ স্থানীয় সুধীজনরা।
​নিজের সাফল্যের পেছনের গল্প শুনিয়ে জাহিদ হোসেন বলে, “নিয়মিত ও মনোযোগী হয়ে পড়াশোনা করার কারণেই আমার এই ভালো ফল এসেছে।

স্কুলের শিক্ষকরা আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছেন। আমার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করার।”

​ছেলের এমন সাফল্যে আবেগাপ্লুত বাবা মো. আলাউদ্দিন বলেন, “আমাদের অভাবের সংসার। কিন্তু ছেলের পড়ার আগ্রহ দেখে কষ্ট করে হলেও পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছি।

স্কুলের শিক্ষকরা খুব সহযোগিতা করেছেন। ছেলের এই সাফল্যে আজ আমার সব কষ্ট মুছে গেছে।”

​কসবা পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, “জাহিদ অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের এক মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। নানা সীমাবদ্ধতা ও কষ্টের মধ্যেও সে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে গেছে।

তার এই ফলাফল আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও তাকে সবসময় সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। আমরা তার ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ