1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চারা নিতে গিয়ে আর ফেরা হলো না: নোয়াখালীতে প্রাণ গেল ২ জনের শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কোটি কোটি টাকার অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের জাগো নারী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নূর-উন-নাহার মেরীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক শূন্যতা দুমকি উপজেলা, স্থবির উন্নয়ন কার্যক্রম পাঁচবিবিতে মামলায় ফাঁসানোরপ্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন‎ পাঁচবিবি

তুহিন হত্যা মামলা: তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণেবিচারের পথে দৃশ্যমান অগ্রগতি

  • প্রকাশকাল: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলায় বিচারিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। চার্জ গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ধারাবাহিক সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় দ্রুত বিচারের পথে মামলাটি দৃশ্যমান অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (১ মার্চ) গাজীপুর মহানগর দায়রা জজ আদালত-এ মামলার তৃতীয় দফার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের ভাতিজা সোহাগ সুরতহাল সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন। এর আগে মামলার বাদী ও তুহিনের বড় ভাই সেলিম এবং একজন পুলিশ সদস্যের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার আইনজীবী প্রশান্ত চন্দ্র সরকার বলেন, “চার্জ গঠনের পর ধারাবাহিক সাক্ষ্যগ্রহণ প্রমাণ করে—মামলাটি দ্রুত বিচারিক নিষ্পত্তির দিকেই এগোচ্ছে।” তাঁর ভাষ্য, তৃতীয় দফার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়া বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

এদিন আদালতে হাজির করা হয় মামলার প্রধান অভিযুক্ত কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপিসহ সকল আসামিকে। প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় কেটু মিজান হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন, যা আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিতদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। কেটু মিজান বলতে থাকেন”আমার টার্গেট ছিল বাদশাসহ আরও একজন কিন্তু সাংবাদিক তুহিন সেই দৃশ্যের ভিডিও করতে ছিল তাই তাকে আগে শেষ করে দিই, এরই মধ্যে আমার গোলাপি কারাগারে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করে কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি”।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ আগস্ট গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার মাঝখানে প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তোলে। সাংবাদিক মহল শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রফিক সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, “গত ৫৪ বছরে ৬৯ জন সাংবাদিক নিহত হলেও অধিকাংশ হত্যার বিচার হয়নি। তুহিন হত্যার বিচার সম্পন্ন হলে এটি হবে দেশের সাংবাদিকতা ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্তমূলক নজির।”

মামলার বাদী সেলিম বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ধারাবাহিক সাক্ষ্যগ্রহণ তাদের পরিবারকে আশার আলো দেখাচ্ছে। “আমরা চাই দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত বিচার,”—যোগ করেন তিনি।

সাংবাদিক নেতাদের মতে, এ মামলায় নিয়মিত শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নয়; এটি সাংবাদিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের একটি শক্ত বার্তা। তুহিন হত্যার বিচার সম্পন্ন হলে তা হবে সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ