রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস।
কুড়িগ্রামে কয়েকদিনে শীত ও ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে করে সাধারণ মানুষরা পড়েছেন বিপাকে।
রাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতল বাতাসে বাড়ছে কাঁপুনি।গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের দেখা মিললেও তা স্হায়ী হচ্ছে না।এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে খেঁটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কষ্ট বেড়েছে চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।
রাজারহাট সদর উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের রুবেল মিয়া বলেন শীতের কারণে আমি সকাল বেলা রিকসা নিয়ে কাজে যাইতে পারিনি। এতে অর্থাভাব লেগেই আছে।
কুড়িগ্রামে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাবু মিয়া বলেন। আমি বিলে ও নদীতে মাছ ধরে জিবীকা নির্বাহ করি। শীতের কারণে কয়েকদিন থেকে ঠিক মতো মাছ ধরতে পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে সংসার চালাতে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা যাত্রাপুর ইউনিয়নের কালির আলগার চরের মিন্টু মিয়া বলেন ঠান্ডার কারণে আমরা ঘর থেকে বের হতে পারি না ,কাজ কর্ম ঠিক মতো হয় না ।
একই এলাকার রহমত বলেন, ঠান্ডায় কাজ না করলে পেঁটে ভাত যায় না।কাজে গেলে হাত-পা জ্বালাপোঁড়া করে, ঠিকমতো কাজ করতে পারি না। রাতে ঘুমও ঠিক মতো হয় না।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খায়রুল ইসলাম বলেন অতিরিক্ত ঠান্ডায় আমার ছেলের কয়েক দিন থেকে ডাইরিয়া শুরু হয়েছে।
এবিষয়ে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপ্নন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার নয় উপজেলায় যথাযথ ভাবে ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় জেলায় সবনিম্ন তাপমাত্রা ৯ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা শাখার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকতা আব্দুল মতিন জানান ৯ টি উপজেলায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ চলমান আছে।
Leave a Reply