1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আটোয়ারীতে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহিনকে সংবর্ধনা নরসিংদীর শিবপুর শেরপুর গ্রামে ১২ বছরের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর প্রাণনাশের হুমকি। গঙ্গাচড়া বেতগাড়ী গরুর হাটে সরকারি নীতিমালা ভেঙে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায় খানাখন্দে মৃত্যু ফাঁদ! অবশেষে সুবর্ণচরে স্বস্তি ফিরালেন নাছির উদ্দীন নাছির ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নারীর টানে বাড়ি ফেরা মানুষের বাংলাদেশ প্রেস ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ব্রাহ্মণপাড়া থানা ও বিজিবির বিশেষ পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী সহ গ্রেফতার ০৩ আমতলীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: চাকা ফেটে ব্রিজে ধাক্কা, প্রাণ গেল হেল্পারের পুবাইলে সর্বস্তরের জনগণকে ঈদুল আজহা শুভেচ্ছার জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ২৯টি চোরাই মোবাইল জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ

চিলমারীতে হঠাৎ বেড়েছে শীতের তীব্রতা, ভোগান্তিতে খেটে খাওয়া মানুষেরা

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফাহমিদুল হক বুলেট,
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “হঠাৎ করে দিন যতই গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে শীতের তীব্রতা”। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, খেটে খাওয়া দিনমজুর এবং নিম্নআয়ের মানুষরা। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যার পরে, শীতের তীব্রতা বেশি বেড়ে যায়। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা পড়ার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ই ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় চিলমারী উপজেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকে কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল করার ব্যাপক বিঘ্নতা ঘটেছে বলে জানাযায়। শীতের এই প্রভাবের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবার গুলো। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ সহায়তা এখনো অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি বলে স্থানীয়দের মতামত। চিলমারী উপজেলার রমনা খড়খড়িয়া সাতঘড়ি পাড়া এলাকার অসহায় শামসুল হক (৭৫), আঃ মজিদ (৭০), ও শহীদ আলী (৬৫) ও তছিরন বেওয়া বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে হাত-পা যেন অবশ হয়ে আসে। আগের চেয়ে ঠান্ডা অনেক বেশি হয়েছে। আমাদের এখনো কেউ একটা কম্বল দেয় নাই। আগের বুরে কম্বল দিয়ে গরম ধরে না, নয়া কম্বল পাইলে খুব ভালো হইল হয় বলে জানান তারা। এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ১২শ কম্বল বিতরণ করেছি। এই কম্বল বিতরণের কাজ পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ