1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পোরশায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ইন্টারনেট সেবা ১০মাস বন্ধ হেলমেট পরে এসে চায়ের দোকানে বসা বৃদ্ধকে গুলি নভেম্বরে পড়বে হালকা শীত ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের পক্ষে জেলা ছাত্রদলের বিশাল শোডাউন ও মিছিল সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক কারবারি, আওয়ামী লীগ নেতা ও ডাকাতসহ গ্রেফতার ২৬ জুরাইনে তা’লীমুল উম্মাহ মাদরাসার ৫ শিক্ষার্থীর হিফজ সমাপন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত “নরসিংদীতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় নরসিংদীতে দোয়া মাহফিল ​বুড়ির বাঁধে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাছ শিকার উৎসব, হাজারো মানুষের ঢল চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নবীনবরণ ও একাডেমিক ফেস্ট’২৬ অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীছড়িতে সড়কের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, স্বাভাবিক যান চলাচল বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

চিলমারীতে হঠাৎ বেড়েছে শীতের তীব্রতা, ভোগান্তিতে খেটে খাওয়া মানুষেরা

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফাহমিদুল হক বুলেট,
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “হঠাৎ করে দিন যতই গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে শীতের তীব্রতা”। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন, খেটে খাওয়া দিনমজুর এবং নিম্নআয়ের মানুষরা। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যার পরে, শীতের তীব্রতা বেশি বেড়ে যায়। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা পড়ার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ই ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় চিলমারী উপজেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২দশমিক ৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকে কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌ-পথে চলাচল করার ব্যাপক বিঘ্নতা ঘটেছে বলে জানাযায়। শীতের এই প্রভাবের কারণে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবার গুলো। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ সহায়তা এখনো অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি বলে স্থানীয়দের মতামত। চিলমারী উপজেলার রমনা খড়খড়িয়া সাতঘড়ি পাড়া এলাকার অসহায় শামসুল হক (৭৫), আঃ মজিদ (৭০), ও শহীদ আলী (৬৫) ও তছিরন বেওয়া বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে হাত-পা যেন অবশ হয়ে আসে। আগের চেয়ে ঠান্ডা অনেক বেশি হয়েছে। আমাদের এখনো কেউ একটা কম্বল দেয় নাই। আগের বুরে কম্বল দিয়ে গরম ধরে না, নয়া কম্বল পাইলে খুব ভালো হইল হয় বলে জানান তারা। এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ১২শ কম্বল বিতরণ করেছি। এই কম্বল বিতরণের কাজ পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ