স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :
পটিয়ার কৃতীসন্তান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ,বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সংস্কারক প্রয়াত জগদীশ চৌধুরীর নবম মৃত্যু বার্ষিকী আগামী ৯ আগস্ট। তিনি
পটিয়া রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৬৫ সালের ইংরেজি শিক্ষক এবং পরবর্তী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানী গ্রুপের কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ সালের এদিনে তিনি মৃত্যু বরণ করেছিলেন।১৯৪০ সালের ১০ অক্টোবর পটিয়া উপজেলাধীন ধলঘাট ইউনিয়নের তেকোটা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। জেষ্ঠ্য ভ্রাতা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী, বিজ্ঞ আইনজীবি ও ইংরেজি সাহিত্যের আশির দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মনিন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী (M.P. Chowdhury, MA,LLB- Calcata.) এর অনুপ্রেরণায় বোয়ালখালী স্যার আশুতোষ কলেজে বর্ণাঢ্য শিক্ষা জীবন, রাজনীতি, গ্রামের উন্নয়ন ও সমাজ সংস্কারে তাঁর অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়।
তাঁর জীবদ্দশায় বৌদ্ধ সেবাসদন হসপিটাল (ধলঘাট ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র), অনাথের জন্য বাংলাদেশ বৌদ্ধ সেবাসদন সোসাইটি ( গভঃরেজিঃ), বাংলাদেশ বৌদ্ধ সেবাসদন পালি কলেজ ( গভঃরেজিঃ), তেকোটা গ্রামের শিক্ষা উন্নয়নে তেকোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তেকোটা সদ্ধর্ম বিকাশ বিহার ও তেকোটা সদ্ধর্মোদয় বিহারের ভূমিদাতা ছিলেন। গৈড়লা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির অডিটর সম্পাদক, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ পটিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক (১৯৭৭) ছিলেন। আমরা প্রয়াত জগদীশ চৌধুরীর পারলৌকিক নির্বাণ শান্তি কামনা করছি।
Leave a Reply