1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বুড়িচংয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এস আই আর আবহে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা প্রথম পর্যায়ের ঐতিহাসিক নির্বাচন বিজিবির যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার রাতের অভিযানে চমক: দারোয়ানের কক্ষ থেকে বিদেশি মদের আস্তানা উন্মোচন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন এর বক্তব্যের পর উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা শান্ত হলেন। যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের। পানছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন, সচেতনতায় জোর মনোহরদী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার-২ নবাগত ইউএনও মোহদয় বরাবরে খোলা চিঠি পূর্বাচলে মাদক ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে এলাকাবাসীমানববন্ধন, বিক্ষোভ

শিবিরের এই আয়োজনের দায় ভিসি ও প্রক্টর এড়াতে পারেন না: নাছির

  • প্রকাশকাল: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মসূচির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। তিনি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পবিত্র মাটি থেকেই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীজ রোপিত হয়েছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়েই সর্বপ্রথম খচিত হয়েছিল বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা। অথচ আজ টিএসসিতে শিবির যুদ্ধাপরাধী নিজামী, মুজাহিদ, গোলাম আযমসহ আত্মস্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের ছবি টানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত করেছে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি একথা বলেন।

নাছির বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির একাত্তরের ঘৃণ্য রাজাকার বাহিনী ছাত্রসংঘ ও আলবদরের উত্তরসূরী। অতীতে তারা একজন আলবদর কমান্ডারকে ডাকসুতে ভিপি পদে প্রার্থী করেছিল। এমনকি তাদের দলীয় প্রকাশনাতেও স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রক্টর শিবিরকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। প্রশাসনের মদদেই তারা টিএসসিতে এমন জঘন্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অপমান করেছে এবং দেশের আপামর জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এই আয়োজনের দায় প্রশাসন, ভিসি ও প্রক্টর কেউই এড়াতে পারেন না।
নাছির আরও বলেন, তোফাজ্জল ও সাম্য হত্যাকাণ্ড, শেখ হাসিনার গ্রাফিতি মোছাসহ একাধিক ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ পেয়েছে।

বরং মব এবং গুপ্ত সংগঠনগুলোর প্রতি এক ধরনের নীরব পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশ এবং বিক্ষুব্ধ।

সবশেষে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো সংগঠনের কর্মসূচির জন্য প্রক্টরের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি দেওয়ার আগে তিনি কর্মসূচির বিষয়বস্তু যাচাই করে থাকেন। তাই আজকের ঘটনার দায় প্রক্টরের ঘাড়েই বর্তায়।

এই আয়োজন তার অনুমতি, সম্মতি ও পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব ছিল না। প্রক্টরকে এই ঘটনার দায় স্বীকার করে জবাবদিহি করতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ