নবাগত ইউএনও মোহদয় বরাবরে খোলা চিঠি
বরাবরে
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)
লোহাগাড়া উপজেলা
লোহাগাড়া চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ অবৈধ বালু এবং মাটি উত্তোলন বন্ধ করার আহ্বান
যথা বিহীত সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে আমাদের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে কিছু অবৈধ ভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এই বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণ সাংবাদিকদের ও গনমাধ্যমের মাধ্যমে এই বিষয়ে আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আরো উল্লেখিত যে আমরা সাংবাদিক পরিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে ও স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে দেখতে পাইযে আমিরাবাদ টংকবতি খাল ও কলাউজান ইউনিয়নের রবারড্যামের পাশ্বে মাত্র ৩০০ ফুটের মধ্য খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। এবিষয়ে স্থানীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন উপজেলা প্রশাসনের সাথে গোপন সমঝোতায় দীর্ঘ দিন ধরে চলছে এই অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের কার্যক্রম।শুধু তাই নয় রাতের অন্ধকারে রাত ১১ টার পর থেকে লোহাগাড়া উপজেলার নয় ইউনিয়নের ফসলি জমি ও চরম্বা ইউনিয়নের বিরবিলা নামক স্থান ও বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে মাটি নিয়ে যাচ্ছে শত শত ড্রাম্পার ও ছোট ছোট মিনি ট্রাকে করে। এই বিষয়ে বিভিন্ন মহল বলেন এই সব স্পঠে ডেজার মিসিন বসাইয়া বালু উত্তোলন না করতে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের নিষেধাজ্ঞা তথা সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে । জেলা প্রশাসকেরও ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা নেই. কারণ এই স্পঠের বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের নিষেধাজ্ঞা তথা সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকায় ইজারার ক্যালেন্ডার থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে ।
বর্তমান যে সিন্ডিকেট সদস্য’রা উপজেলা প্রশাসন এবং রবার ড্যারাম কমিটির নাম ব্যবহার করে “পলি নিষ্কাশন” করার অনুমতি পেয়েছেন বা এনেছেন বলে ডাকডোল বজাইয়া স্হানীয় এলাকাবাসীর ক্ষয়ক্ষতির দিকে না থাকাইয়া বা তাদের বাধাকে তোয়াক্কা না করে তারাই আবার জোরপূর্বক “ডেজার মিসিন” বসাইয়া অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে লক্ষ কোটি টাকা কামাই করার স্বপ্ন দেখিতেছেন ?
তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই – তোমরাই’তো বিগত ৩/৪ বৎসর পুর্বে তখনকার “উপজেলা প্রশাসন” এবং “উপজেলা চেয়ারম্যান” মরহুম জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল মহোদয়দের’কে ভুলবাল বুঝাইয়া আতাত করে লোহাগাড়া “শাহপীর উচ্চ বিদ্যালয়ের” মাঠ ভরাঠ করার কথা বলে এই কাম শুরু করে ছিলা. তাই না ?
তোমাদের ডেজার মিসিন এবং পাইপ-তাইপ রক্ষা করতে পেরে ছিলা ? যাদের বলে করে ছিলা তারাই নিজ হাতে তোমাদের ডেজার মিসিন পাইপ-তাইপ আগুন লাগাইয়া পুরি দিতে বাধ্য হয়ে ছিল না ? ইতিহাস মনে রাখা এবং তার থেকে কিছু শিক্ষা নেওয়া ভাল।
অতএব এই বিষয়ে নবাগত লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল


নিবেদন
লোহাগাড়া উপজেলার
সচেতন মহল
Leave a Reply