বিএনপি সংস্কারের প্রবক্তা। অথচ জনগণের কাছে আমাদের নিয়ে মিথ্যে প্রচারণা করা হচ্ছে যে, আমরা সংস্কারের পরিপন্থী। আগে নির্বাচন পরে সংস্কার, এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আমাদের সম্পর্কে ভূল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে অভিযোগ করে বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (২রা এপ্রিল)দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িস্থ নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এ অভিযোগ করেন তিনি ।
মির্জা আলমগীর বলেন, নূন্যতম সংস্কার করে নির্বাচননের কথা বলে এসছি আমরা। নির্বাচন ব্যবস্থা,আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থা সংস্কার করেই আমরা নির্বাচনের কথা বলে আসছি। বিএনপির ২০১৩ সাল থেকে যে ৩১ দফা দিয়েছিল তার একটিও বর্তমান সরকারের সংস্কার প্রস্তাবের সাথে অমিল নেই। আমরা কখনো বলিনি আগে নির্বাচন পরে সংস্কার। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু করার জন্য নূন্যতম যে সংস্কার টুকু প্রয়োজন তা করতে হবে। কারন নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আর গণতন্ত্রই হল শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা সুশাসনের জন্য,রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য।
রাজনৈতিক দলগুলো ভিন্নমতের কারণে ভবিষ্যতে কোন সংঘাত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মীর্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হচ্ছে ভিন্নমত, বিভিন্ন দলের ভিন্ন মত নিয়ে জনগনের কাছে যাবে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সঠিকটা বেছে নিবে তারাই সরকার গঠন করবে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসলে স্বৈরাচার হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন বিএনপির আমলে কোন ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়নি, রাষ্ট্র চালাতে গিয়ে অনেক অপ্রীতিকর কাজ করতে হয়। তাই বলে স্বৈরাচার হয়ে ওঠার কোন সুযোগ নেই। স্বৈরাচার হয়ে উঠলে তাদেরও আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা হবে।
পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা নিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না কারন তাদের কনফিডেন্স অনেক নেমে গেছে। তবে আমাদের দলীয় কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি কিছু কাজ করেছিল যা আমরা প্রশ্রয় দেইনি। কোন কোন সংগঠন ভেঙ্গে দিয়েছি, কোন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে।
এসময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ,অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাসুদুল ইসলাম মুন্না,সদস্য সচিব কামরুজ্জামান কামু,যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান সহ বিএনপি-অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply