লুতুব আলি, চুরুলিয়া
কবিতীর্থ চুরুলিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল দোলনচাঁপা নজরুল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান। কাজী নজরুল ইসলামের উত্তরসূরী তথা এই সংগঠনের কর্ণধার বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী সোনালী কাজীর পরিচালনা ও তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিনের অনুষ্ঠানে আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্রী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জী মহাশয় স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০০টি ব্যাগ পাঠিয়ে দেন। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সেই ব্যাগগুলি দশটি স্কুলের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগের জন্য দোলনচাঁপা নজরুল ফাউন্ডেশন, কবিতীর্থ চুরুলিয়ার পক্ষ থেকে বিধায়ককে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। কাজী পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁর প্রতি অসীম ভালোবাসা জ্ঞাপন করা হয়।
অন্যদিকে, দুর্গাপুর থেকে আগত বিজড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী নিজামউদ্দিন সাহেব। ডাক্তার মধুসূদন সাহা-র ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে চুরুলিয়ার ছাত্রছাত্রীদের হাতে ৫২টি খাতা, পেন্সিল ও মিষ্টি তুলে দেন। তাঁর সঙ্গে আগত ছাত্রীরাও এই বিতরণে অংশ নেন।
এই প্রসঙ্গে সংগঠনের কর্ণধার সোনালী কাজী বলেন, “কবি চুরুলিয়ার মাটিকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু এই মাটির মানুষের জন্য অনেক কিছুই তিনি নিজে হাতে করে যেতে পারেননি। আমরা তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে সেই অসমাপ্ত কাজগুলোকেই সম্পূর্ণ করতে চাই। শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ শুধু দান নয়, এটা নজরুলের সাম্য ও মানবতার আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়া। চুরুলিয়ার প্রতিটি শিশুর হাতে বই-খাতা তুলে দিতে পারলেই কবির প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা জানানো হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবির ভাতুষ্পুত্র কাজী আলী রেজা সহ সোনালী কাজী, কল্লোল কাজী, অভিরাজ কাজী, কাজী নিজামউদ্দিন সাহেব, ডক্টর দীপঙ্কর মজুমদার, প্রসেনজিৎ ঘোষ, রত্না দি, স্বপ্না দি, বাসন্তিকা দি, বনানী, পারিজাত, গোপাল, গোরা, হাবিব, কুতুব, বাপ্পা, মাগা, সঞ্জয় সহ আরও অনেকে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন সোনালী কাজী ও কল্লোল কাজী।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সোনালী কাজী, কল্লোল কাজী ও অভিরাজ কাজী। কবিতা আবৃত্তি করেন প্রসেনজিৎ ঘোষ ও বনানী ঘটক। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ডক্টর দীপঙ্কর মজুমদার, কাজী আলী রেজা, কাজী নিজামউদ্দিন ও স্বপ্না দে।
Leave a Reply