সাঘাটা প্রতিনিধি:
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দুঃসময়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্রনেতা মোঃ আরাফাত রহমান সরকার। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম জুলাই যোদ্ধা হিসেবেও পরিচিত বলে নেতাকর্মীদের দাবি।
ছাত্র রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় আরাফাত রহমান সরকার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে অবস্থান করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে মামলা, হামলা ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও নেতাকর্মীরা জানান। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার কারণে তার শিক্ষা জীবনও ব্যাহত হয়েছে। তবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি রাজপথের আন্দোলন থেকে সরে যাননি বলে দাবি তার অনুসারীদের।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুঃসময়ে বয়সে তুলনামূলকভাবে ছোট হয়েও আরাফাত রহমান সরকার অনেক নেতাকর্মীর পাশে অভিভাবকের মতো দাঁড়িয়েছেন। একই সঙ্গে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব তৈরিতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতার কারণে তৃণমূলের অনেক ছাত্রনেতা তাকে সংগঠক ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখেন।
নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা মাঠে ছিলেন, তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরি করা প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় আরাফাত রহমান সরকারকে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দেখতে চান তৃণমূলের একটি বড় অংশ।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, আরাফাত রহমান সরকার নেতৃত্বে এলে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। তাদের মতে, দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই পরীক্ষিত ছাত্রনেতা ভবিষ্যতে সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
এদিকে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনায় মোঃ আরাফাত রহমান সরকারের নামও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে।
Leave a Reply