1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কালিয়াকৈরে শিক্ষার মান উন্নয়নে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশসহ সার্বিক শিক্ষার মান পর্যবেক্ষণ করেন ইউএনও আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, সাঘাটা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় আরাফাত রহমান আগেও শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ছিল, এবার ধর্ষণ মামলায় হেলাল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে ইয়াবা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ জনকে হত্যা আটক ২ ডুমুরিয়ায় খাল খননে অনিয়ম: সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় অধ্যক্ষ খুরশীদ আলম উজ্জ্বলের অভিনন্দন সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় পানছড়ি ৩ বিজিবিতে সমন্বয় সভা কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। ‎বাগেরহাটের দিঘি থেকে কক্সবাজারের সাফারি পার্কে: অনশনের পর নতুন ঠিকানায় ধলাপাহাড় দেবিদ্বারের ধামতী (দঃ) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব ফিরোজের রাজত্বে ভূমি অফিস ফার্মেসিতে কাজ করে জিপিএ-৫ পাওয়া সেই প্রান্তের পাশে দাঁড়াল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন!

ফার্মেসিতে কাজ করে জিপিএ-৫ পাওয়া সেই প্রান্তের পাশে দাঁড়াল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন!

  • প্রকাশকাল: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
ফার্মেসিতে কাজ করে জিপিএ-৫ পাওয়া সেই প্রান্তের পাশে দাঁড়াল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন!

​সাধন সাহা জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

​সংসারের অভাব আর অসুস্থ বাবার সেলাই মেশিনের সামান্য আয়ের সাথে লড়াই করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী প্রান্ত দেবनाथ। তবে ভালো ফল করেও কলেজ ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ চালানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল তার সামনে।

​অবশেষে এই অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন।

​এর আগে গত ২০/২১ আগস্ট জাতীয় কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়াতে ‘ফার্মেসি সামলে বইয়ে চোখ, প্রান্ত পেল জিপিএ ৫’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলামের নজরে আসে।

আজ ২৩ আগস্ট দুপুরে ইউএনওর রুমে এই চেক প্রদান করা হয়। এরপরই তিনি প্রান্তের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেন এবং তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।

​জানা যায়, অসুস্থ বাবার চিকিৎসার খরচ ও চার সদস্যের সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন প্রান্ত দেবনাথ। কাজের ফাঁকেই চলেছে তার পড়াশোনা। শত প্রতিকূলতা জয় করে তার এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল এলাকায় বেশ প্রশংসিত হয়।

​সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনও মো. তারিকুল ইসলাম প্রান্তের এই সংগ্রামের গল্প জেনে তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এবং উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে তাকে সহযোগিতা প্রদান করেন। উপজেলা প্রশাসনের এমন মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রান্ত ও তার পরিবার।

​প্রান্তের মতো সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সমাজের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের একটি বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ