1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কালিয়াকৈরে সিএনজি স্টেশনে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ লাইন তীব্র গ্যাসের সংকটে চালকদের জনজীবন বিপর্যস্ত খাসি না পেয়ে বিয়ে ভাঙার একদিন পরই আবার বিয়ে করলেন সেই প্রবাসী জুনায়েদ, পাতে ছিল ‘আস্ত খাসি’! সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে না ফেরার দেশে আজিবর বিজয়নগর থেকে সিএনজি চুরি করে নবীনগর ৩ চোর আটক, গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ! সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা এ. কে. এম. সোহেল রানা অবৈধ সার মজুদকারীকে জরিমানা নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোঃ আজিজুর রহমান মোল্লা টেকনাফে হ্নীলা,বাহারছড়া,হোয়াইক্যংয়ে অপহরণ-মানবপাচার ও মাদক প্রতিরোধে স্থায়ী নৌ-বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের দাবি স্থানীয়দের গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন লাকসামে পিএফজির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতশান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান কাঠবিড়ালির জাম্বুরা খাওয়ার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি!

পানছড়িতে ওএমএসের চাল-আটা ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশকাল: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
পানছড়িতে ওএমএসের চাল-আটা ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বন্যাকবলিত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা ওএমএসের (ওপেন মার্কেট সেল) চাল ও আটা ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেসার্স জামান এন্ড ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ক্রেতারা।
সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে পানছড়িতে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রির সময় কয়েকজন ক্রেতার প্যাকেট ওজন করে এ অভিযোগের সত্যতা সরেজমিনে যাচাই করা হয়। এ সময় ৫ কেজি ওজনের চাল ও আটার প্যাকেটে ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত কম পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক্রেতা বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। সরকার কম দামে চাল-আটার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু ৫ কেজি চাল বা আটা কিনে বাড়িতে গিয়ে দেখি ওজনে কম। প্রতি প্যাকেটে ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ করলে বলা হয়, গোডাউন থেকেই কম আসে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
অভিযোগের বিষয়ে মেসার্স জামান এন্ড ব্রাদার্সের মালিক মো. নুরুজ্জামান বলেন, “খাদ্য গোডাউন থেকে প্রতি বস্তায় ১ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত কম দেওয়া হয়। এ কারণেই গ্রাহকদেরও কম দিতে হচ্ছে।”
তবে এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে পানছড়ি উপজেলা ওসি-এলএসডি (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, “বস্তায় চাল কম থাকার কোনো সুযোগ নেই।”
এদিকে সরকারি খাদ্য সহায়তার চাল ও আটা নির্ধারিত পরিমাণে বিতরণ হচ্ছে কি না, তা দ্রুত তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতারা। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ