স্টাফ রিপোর্টারঃ
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দুঃসময়ে সংগঠনের পাশে থাকার কারণে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায় উঠে এসেছেন বোনারপাড়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এ. কে. এম. সোহেল রানা।
ছাত্র রাজনীতিতে এ. কে. এম. সোহেল রানা একজন পরীক্ষিত ও সংগ্রামী নেতা হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থেকে তিনি ছাত্রদলের কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে হরতাল, অবরোধ ও মশাল মিছিলে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে নেতাকর্মীদের কাছে তার আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে মামলা, হামলা ও নানা ধরনের ভয়ভীতির মুখোমুখি হলেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি বলে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা জানান। আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকার কারণে তার শিক্ষা জীবনও ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে দমন-পীড়নের আশঙ্কায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকেও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, যখন অনেকেই ব্যক্তিগত ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্যারিয়ার গঠনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন সোহেল রানা ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি গ্রাম-গঞ্জে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে কাজ করেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দুঃসময়ে সোহেল রানা নেতাকর্মীদের পাশে একজন অভিভাবকের মতো থেকেছেন। পাশাপাশি নতুন নেতৃত্ব তৈরিতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণে তৃণমূলের অনেক ছাত্রনেতা তাকে একজন দক্ষ সংগঠক ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচনা করেন।
তাদের প্রত্যাশা, এ. কে. এম. সোহেল রানা সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে এলে সংগঠনে আরও শৃঙ্খলা, গতি ও সাংগঠনিক সক্রিয়তা বাড়বে। দুঃসময়ে রাজপথে থাকা এই পরীক্ষিত ছাত্রনেতাকেই সভাপতি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের একটি বড় অংশ।
এদিকে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনায় কারানির্যাতিত ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছাত্রনেতা এ. কে. এম. সোহেল রানার নাম গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে।
Leave a Reply