মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইল মধুপুর উপজেলাধীন আউশনারা ইউনিয়নের আউশনারা ( কালার পাহার) গ্রামে এক গৃহবধূকে জোর পুর্বক ধর্ষণের চেষ্টা, মারপিট ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, একই গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে মনসুর (৪০) জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা, মারপিট করে গলার চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২০ শে জুন)দুপুরে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও স্হানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানা যায়,বিবাদী মাঝে মধ্যেই দিন মুজুর কাজের জন্য আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে থাকা পানির টিউবয়েল হতে পানি নিয়ে আনারস ক্ষেতে কাজ করে।
গৃহবধূ জানান, শনিবার(২০ জুন) দুপুর অনুমানিক এক ঘটিকার সময় আমি আমার স্বামীর বসত ঘরের ভিতরে চৌকির উপর শুয়ে ছিলাম। এমন সময় বিবাদী মনসুর বাড়ীতে বা আশেপাশে কোন লোকজন না থাকার সুযোগে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে ধর্ষণের উদ্দেশ্য আমাকে ঝাপটাইয়া ধরে আমার সহিত ধস্তাধস্তি শুরু করে এবং আমার শরীরের স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয় ও আমার ঠোটে, বাম গালে, বুকে, পেটে কামড় মেরে রক্তাক্ত জখম করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে আমি আমার ঘরের ভিতর হতে বিবাদীর হাত হইতে ছুটে দৌড়ে বাড়ীর পশ্চিম পাশে জনৈক আবুল এর আনারস বাগানে পৌছালে বিবাদী আমার পিছন পিছন গিয়ে আবারও আমার সহিত ধস্তাধস্তি শুরু করে। তখন আমি ডাকচিৎকার করিলে বিবাদী আমাকে এলোপাথারী ভাবে কিল, ঘুষি, লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং আমার গলায় থাকা ৮ আনি ওজনের স্বর্নের চেইন যাহার অনুমান মূল্য ১,২৫,০০০/- টাকা ও কানে থাকা ৫ আনি ওজনের স্বর্নের দুল যাহার অনুমান মূল্য ৮০,০০০/- টাকা টেনে ছিড়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমার স্বামী উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাড়ীতে এসে আমাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। পরবর্তীতে উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে আমার পরিবারের লোকজন সহ আত্মীয়-স্বজনের নিকট পরামর্শ করে মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এ জঘন্য ঘটনার জন্য ভুক্তভোগী গৃহবধু ও এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম ফজলুল হক জানান, অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত তদন্ত পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply