1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত মা‌টিরাঙ্গায় ২ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার আ.লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কুড়িগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত কৃষক দলের সভাপতি স্বপনের সাহসিকতায় আটক দুই ছিনতাইকারী মাদরাসা শিক্ষা হবে আরও যুগোপযোগী, শিগগিরই নিয়োগ পাবে শিক্ষকরা রাজশাহীতে বেপরোয়া অটোরিকশার ভাড়া “২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি” জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় অনন্য উদ্যোগ: ৬৫ নং ওয়ার্ডে সুজন মিয়াজীর নেতৃত্বে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ রংপুরে হোটেল ছাদ থেকে লাফিয়ে তরুণীর মৃত্যু ধর্মীয় সম্প্রীতি ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় লাকসামে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ

মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইল মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের পরিবার।
জানা যায়, মধুপুর উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আঃ মালেক তার পৈত্রিক জমিতে ঘর করে প্রায় ৫০/৬০ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। ভুক্ত ভোগী আব্দুল মালেক জানায়, তার মা শরভানুর নামে থাকা মধুপুর মৌজার ১৮৬৭ খতিয়ানে ১০. ৩৭ শতাংশ জমি রয়েছে। সে জমিতেই তার বাবা, মা থাকাকালীন সময় হতেই উক্ত জমিতে বাড়ী ঘর করে বসবাস করে আসছে। তার মা তার উক্ত জমি হতে ৪ শতাংশ জমি অন্যের নিকট বিক্রি করে। পরে বাকী জমি হতে আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল অপুর নামে ৪ শতাংশ জমি ২০১১ সালে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে মধুপুর কলেজপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ এবং তার স্ত্রীর নিকট ৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। বাকী ২.৩৭ শতাংশ জমিতে আমার ঘর রয়েছে। হারুন অর রশিদ এর নিকট আমার ছেলে যে অংশে জমি বিক্রি করেছে হারুন অর রশিদ সে অংশে না গিয়ে জোর করে আমার বসত ঘরের অংশ হতে নেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক। প্রায় সময়ই হারুন অর রশিদ এর লোকজন গিয়ে তার ঘর সরিয়ে নিতে বলছে। ঘর সরিয়ে না নেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার। এমতাবস্থায় আমার পরিবার নিয়ে আমি আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমি অতি দরিদ্র মানুষ আমি অটো সিএনজি চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী অন্যের বাড়ীতে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। বর্তমানে আমি অটোরিকশাও চালাতে পরছি না। তারা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক ও তার স্ত্রী। তারা আরও জানান তাদের একটি ছেলে মাদরাসাতে পড়ে কয়েক মাসের মধ্যেই সে পুর্নাঙ্গ হাফেজ হবে। মালেক বলে আমরা তার লেখা পড়ার খরচ পর্যন্ত দিতে পারছি না। সে আরও বলেন আমি দরিদ্র মানুষ তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব কেমনে। আমাদের সংসার চলে না, মামলা করতে খরচ পাতি হবে সে টাকাও আমাদের কাছে নাই।
এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ