মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের পরিবার।
জানা যায়, মধুপুর উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আঃ মালেক তার পৈত্রিক জমিতে ঘর করে প্রায় ৫০/৬০ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। ভুক্ত ভোগী আব্দুল মালেক জানায়, তার মা শরভানুর নামে থাকা মধুপুর মৌজার ১৮৬৭ খতিয়ানে ১০. ৩৭ শতাংশ জমি রয়েছে। সে জমিতেই তার বাবা, মা থাকাকালীন সময় হতেই উক্ত জমিতে বাড়ী ঘর করে বসবাস করে আসছে। তার মা তার উক্ত জমি হতে ৪ শতাংশ জমি অন্যের নিকট বিক্রি করে। পরে বাকী জমি হতে আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল অপুর নামে ৪ শতাংশ জমি ২০১১ সালে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে মধুপুর কলেজপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ এবং তার স্ত্রীর নিকট ৪ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়। বাকী ২.৩৭ শতাংশ জমিতে আমার ঘর রয়েছে। হারুন অর রশিদ এর নিকট আমার ছেলে যে অংশে জমি বিক্রি করেছে হারুন অর রশিদ সে অংশে না গিয়ে জোর করে আমার বসত ঘরের অংশ হতে নেয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক। প্রায় সময়ই হারুন অর রশিদ এর লোকজন গিয়ে তার ঘর সরিয়ে নিতে বলছে। ঘর সরিয়ে না নেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার। এমতাবস্থায় আমার পরিবার নিয়ে আমি আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমি অতি দরিদ্র মানুষ আমি অটো সিএনজি চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী অন্যের বাড়ীতে কাজ করে আমাদের সংসার চলে। বর্তমানে আমি অটোরিকশাও চালাতে পরছি না। তারা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আঃ মালেক ও তার স্ত্রী। তারা আরও জানান তাদের একটি ছেলে মাদরাসাতে পড়ে কয়েক মাসের মধ্যেই সে পুর্নাঙ্গ হাফেজ হবে। মালেক বলে আমরা তার লেখা পড়ার খরচ পর্যন্ত দিতে পারছি না। সে আরও বলেন আমি দরিদ্র মানুষ তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করব কেমনে। আমাদের সংসার চলে না, মামলা করতে খরচ পাতি হবে সে টাকাও আমাদের কাছে নাই।
এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
Leave a Reply