এম রাসেল সরকার,
বাংলাদেশের পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে দেশব্যাপী চলমান “২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি” একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী, দূরদর্শী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে সাড়া ফেলেছে। পরিবেশবিদদের মতে, বৃক্ষ শুধু অক্সিজেনের জোগানদাতা নয়; এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ু দূষণ হ্রাস, মাটিক্ষয় প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই মহৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অন্যতম সক্রিয় নেতা এবং ৬৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মেহনতি মানুষের অভিভাবক আবু বক্কর সিদ্দিকী সুজন মিয়াজী স্থানীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও খালি জায়গায় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
সুজন মিয়াজীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এবং কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিয়েছেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকী সুজন মিয়াজী সব সময়ই জনগণের কল্যাণে কাজ করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে আমরা একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তর করতে চাই। সুজন মিয়াজীর এই দূরদর্শী পদক্ষেপ তরুণ সমাজকে পরিবেশ রক্ষায় আরও দায়িত্বশীল করে তুলবে।”
যুবদল ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা সুজন মিয়াজীর এই আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তরুণ সমাজই পারে একটি সবুজ ও সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে। সুজন ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গাছ লাগানোর এই বার্তাকে পৌঁছে দিচ্ছি। শুধু গাছ লাগানোই নয়, রোপিত বৃক্ষের যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত তদারকি করব।”
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলাকালীন আবু বক্কর সিদ্দিকী সুজন মিয়াজী ৬৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা সবাই ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করি। মনে রাখবেন, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন আমরা সবাই মিলে রোপিত বৃক্ষের যথাযথ পরিচর্যা করি এবং একটি সবুজ, সুস্থ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ হই।”
পরিশেষে তিনি একটি চমৎকার স্লোগান দিয়ে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করেন—“আজ একটি গাছ লাগাই, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ উপহার দিই।”
স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ সুজন মিয়াজীর এই মানবিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং এই কার্যক্রমের ফলে এলাকায় পরিবেশ সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
Leave a Reply