1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করে,,, যুবদল কর্মী সাদ্দাম অবৈধভাবে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের দায়ে একেএইচ লজিস্টিকসকে জরিমানা অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে এইচবিএম ইটভাটাকে জরিমানা! কালিয়াকৈরে লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন। ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সম্মুখীন লোহাগাড়া বাসি নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সভাপতি আপেল, সম্পাদক শাহাদাৎ বাবু জাগো নারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী উৎসব ও পান্তা ইলিশের আয়োজন ওয়ার্ল্ড ভিশনের সাথে হলোখানা ইউনিয়নের ষ্টেন্ডিং কমিটির সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত ভাঙ্গা-বরিশাল-আমতলী-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনের দাবিতে আমতলীতে ৮ ঘণ্টার গণঅনশন ভোগনগরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি , হত্যা করে শাণে রেসালাতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অবমাননা কখনোই বন্ধ করা যায় নাই যাবে না। আল্লামা ইমাম হায়াত

গ্রেফতার হলেন বরখাস্তকৃত মেজর মানজিল: নেপথ্যে তারিক সিদ্দিকীর ক্যাশিয়ার ও টর্চার সেল সিন্ডিকেট

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

এম রাসেল সরকার;
​অবশেষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জালে ধরা পড়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত বিতর্কিত কর্মকর্তা মেজর মোঃ মানজিল হায়দার চৌধুরী। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের পাহাড় গড়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

​তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মানজিল হায়দার চৌধুরী টানা ১২ বছর প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সদর দপ্তরে প্রশাসনিক শাখার কোয়ার্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে এই পদের আড়ালে তার মূল পরিচয় ছিল কুখ্যাত মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী ও বিশ্বস্ত সহযোগী। অভিযোগ রয়েছে, তারিক সিদ্দিকীর দেশি-বিদেশি সকল গোপন সম্পদ ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মূল তদারককারী ছিলেন এই মানজিল।

​তারেক সিদ্দিকীর সরাসরি প্রশ্রয়ে মানজিল হায়দার সেনানিবাসের অভ্যন্তরে অত্যন্ত বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। ২০২১ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালক থাকাকালীন এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে যে, মানজিল এবং সে সময় কর্মরত আরেক কর্মকর্তা মেজর এ এস এম মশিউল আলম (বিএ ৬০৫৭) মিলে জনৈক এক ব্যবসায়ীকে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসে ডেকে এনে আটকে রাখেন। সেখানে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করা হয়।

​তদন্তে উক্ত চাঁদাবাজির ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর একটি নাটকীয় মোড় নেয়। অপরাধে দুজনের সম্পৃক্ততা থাকলেও তারিক সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে মানজিল হায়দারকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখা হয়। তৎকালীন কর্তৃপক্ষ কেবল মেজর মশিউলকে শাস্তিমূলকভাবে বাহিনীতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। মশিউলের আপত্তির মুখে তাকে সেনাবাহিনীতে ফেরত না পাঠিয়ে কৌশল হিসেবে ডিজিএফআই বগুড়া শাখায় বদলি করা হয়।

​বিশ্বস্ততার পুরস্কার হিসেবে তারিক সিদ্দিকীর কাছ থেকে ধানমন্ডিতে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট উপহার পেয়েছিলেন এই বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও এখন প্রকাশ্যে।

​সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, গ্রেফতারকৃত মানজিল হায়দার চৌধুরীকে রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিগত সরকারের প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তাদের দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং গোপন টর্চার সেলের কার্যক্রম সম্পর্কে ভয়াবহ সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। বিশেষ করে পলাতক মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিকীর অপরাধ সাম্রাজ্যের অনেক অজানা অধ্যায় উন্মোচন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ