1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুর্গাপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ শ্যামনগরের গাবুরাতে ছাগল পালনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে ফেইথ ইন এ্যাকশন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কুমিল্লা কাস্টমস ও বিজিবি সহ চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটেরাই করছেন সরকারের রাজস্বের অর্থ হরিলুট চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে  বিএসটিআই কর্মকর্তারা ‎ওয়াসার ‘নিয়োগ ও কোড বাণিজ্য’ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ অফিসে ঢুকে সাংবাদিককে হুমকি, আজিজ ও মনির গং-এর বিরুদ্ধে থানায় জিডি কালিয়াকৈরে ওসির বিরুদ্ধে জব্দ ঘোড়া বিক্রিরঅভিযোগ, পরে সমালোচনার মুখেনিলামে বিক্রি করল প্রশাসন ভোলাহাটে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত!! কুড়িগ্রামে তৃতীয় ধরলা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন মধুপুরে পঁচা-বাসি মাংস বিক্রির দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা পাঁচবিবির গাভী মালিক পেল প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রণোদনা

কুমিল্লা কাস্টমস ও বিজিবি সহ চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটেরাই করছেন সরকারের রাজস্বের অর্থ হরিলুট

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

সিনিয়র রিপোর্টার, জুয়েল খন্দকার :-

সিরিজ রিপোর্ট- ০১ :- কুমিল্লা কাস্টমস চরম মাত্রায় দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছেন, ড্রাইভার ও পিয়ন, দারোয়ান সিন্ডিকেটের তদারকিতে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। কুমিল্লা কাস্টমস কমিশনারের অনুমোদিত প্রিভেন্ট টিম না থাকায়, দুর্নীতির মতো অপকর্মের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে একেক জন সম্পদের পাহাড় গড়ছেন। ৫ই আগস্ট-এর আগে প্রিভেন্ট টিম থাকায় কাস্টম্‌স অনেকটাই দুর্নীতির মুক্ত ছিল। ৫ই আগস্টের পর বাংলাদেশ থেকে ক্ষমতাসীন স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ”র নেতা কর্মীরা পালিয়ে ভারতে আশ্রিত সম্মিলিত চোরাকারবারিদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ পাচার করছেন সংঘবদ্ধ একাধিক মাফিয়া সিন্ডিকেট। ৫ই আগস্টের পর গড়ে ওঠে এ-সব সিন্ডিকেট গুলি। যা বাংলাদেশের জন্য ও অর্থনৈতিক সহ জনজীবন চরম বিপদ জনক ও হুমকির মুখে পড়েছে। কাস্টমস ও বিজিবির অসাধু কর্মকর্তা ও চোরাকারবারিদের যোগসাজশে তাদের নিজস্ব সোর্সদের মাধ্যমে। অনুসন্ধানে জানা যায় যে, গাড়ির ড্রাইভার পেশাদার চোরাকারবারিদের তথ্য অনুসারে ছোট মাঝারি যানবাহন, যেমন : সিএনজি, অটো রিকশায় করে আসা ছোট ছোট চোরাচালানের পণ্য জব্দ হলেও বড়ো কোনো চোরা চালান পথে দাঁড়ান না বিজিবি ও কাস্টমস। বড় বড় চোরাকারবারিদের নিয়ন্ত্রিত প্রতি রাত ১২টার পর ভোর পর্যন্ত ভারতীয় অবৈধ পথে আসা শুল্কবিহীন চোরাই পণ্য, পিকআপ, কাবার্ডবেন, হাইএস, প্রাইভেট কার, এম্বুলেন্সে আসা বিভিন্ন বড় চোরাকারবারিদের পণ্য জব্দ না করে স্থানীয়দের সচেতন মহলদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিভিন্ন সময়ে রেল পথে ও স্থল পথের হাইওয়ে রোডে বিজিবির স্পেশাল টিম, পাবলিক সোর্স সহ কাস্টমস গুদাম এর অসাধু কর্মকর্তা ও বিজিবির দারোয়ান ও পিয়ন সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজার, কোটবাড়ি মার্কেট সহ বিভিন্ন মার্কেটে আটককৃত চোরাই পণ্য বিক্রয়ের অভিযোগ রয়েছে অসংখ্য। জব্দকৃত ভারতীয় সিগারেট, অন্যান্য অন্যান্য পণ্য সরকারিভাবে কাস্টমস কোষাগারে জমা পূর্বক নিলাম বিক্রয় না করে সরাসরি বাজারে বিক্রয়ের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ, কাস্টমস সহ বিজিবি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে, জব্দকৃত চোরাচালানের মালামাল, চোরাকারবারিদের পণ্য আটক করে অদৃশ্য ইশারায় অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে প্রিভেন্ট টিম এর অভিযান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে একটি সূত্রের দাবি করছেন। ইচ্ছে করেই প্রিভেন টিম গঠন করার গুরুত্ব দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা। বর্তমানে দায়িত্বে থাকা কুমিল্লা বিভাগীয় কাস্টমস কমিশনার ও কুমিল্লা বিভাগীয় জয়েন্ট কমিশনার বিরুদ্ধে সচেতন মহলের মধ্যে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর সহ অবৈধ অর্থ পাচারের উৎসহে চোরাকারবারি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুমিল্লার সচেতন মহলের মাঝে তীব্র খুব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বিভাগীয় শুল্ক গুদাম দায়িত্ব থেকে বিভাগীয় কমিশনার ও গুদাম কর্মকর্তা সহ কর্মচারীদের দুর্নীতিতে জড়িত থাকার কারণে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছেন বিপুল পরিমাণ। ব্যাবসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, লাইসেন্স ধারি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায় যে, আগে প্রতি সপ্তাহে ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন ও ১০ বিজিবি কোটবাড়ি ব্যাটালিয়ন সহ কাস্টমস প্রিভেন টিম যৌথ অভিয়ানে কুমিল্লার কাস্টমস কমিশনার বেলাল ও নিষ্ঠাবান অফিসার কুমিল্লার আলোচিত কাস্টম ডিসি আব্দুল আহাদের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে, অবৈধ মাদক ও চোরাকারবারিদের হাত থেকে অর্থ পাচার রোধ করে বাংলাদেশ সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। যাহার ফলশ্রুতিতে কমিশনার বেলাল ও ডিসি আব্দুল আহাদকে, স্বৈরাচার সরকারের কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহার সহ মন্ত্রীরা কুমিল্লা থেকে অন্যত্র বদলি করে দেন। এতে মুখ থুবলে পড়ে অবৈধ চোরাচালান আটক অভিযানটি। কুমিল্লার কাস্টমস দুর্নীতিমুক্ত গড়ে তুলে, নিয়মিত প্রিভেন টিম তথ্য সঠিক ভিক্তিক অভিযান পরিচালনা করে, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের হাত থেকে অর্থ পাচার নিয়ন্ত্রণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করে, বিজিবি’র বিউটি বন্ধ করে। কুমিল্লা কাস্টমস কমিশনারের কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার টিম করে অভিযান চালু করে দুর্নীতি মুক্ত করে কোটি কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে রাজস্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমানে এই অভিযানের কোনো নজির নেই।

কারণ ৫ আগস্টের পর অনুমোদিত কোনো প্রিভেন টিম নেই নেই বলে একটি মহলের দাবি। প্রিভেন্ট টিম না থাকলেও কাস্টমস অফিসার পরিচয়ে ড্রাইভার ও (দারোয়ান-পিয়ন), গুডাম কর্মকর্তা ও অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অফিসার সেজে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে চোরাকারবারিদের সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। কুমিল্লার সীমান্ত ভর্তি এলাকায় অবস্থিত সকল থানা এবং কাস্টমসদের ক্যাশিয়ারদের নিকট মাসিক তালিকা যাচাই করে বিভিন্ন সময়ে বিজিবির অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভাবে ভারত থেকে আসা চোরাই মালামাল আটক করে, আঁতাত ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে মালামাল নিলামেরও অভিযোগ রয়েছে। যা বিজিবি চোরাই পণ্য আটক করে রানীর বাজার কাস্টমস এর গুদাম হস্তান্তর করার পর নিলামের করার কথা। তবে যদি পচনশীল মাছ, মাংস, মুরগির বাচ্চা ইত্যাদি পণ্য হয় তাহলে সাথে সাথে নিলাম করতে পারবেন। অন্যান্য দীর্ঘ সময় মজুত রাখার উপযুক্ত পণ্য হয়, যেমন : মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিক, সরঞ্জাম, শাড়ি, কাপড়, কসমেটিক, জিড়া, কিশমিশ, গরু ইত্যাদি পণ্য হয়, তাহলে বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে রানীর বাজার কাস্টমস নিলাম হতো। প্রতি সপ্তাহে একবার হলে ওপেন নিলাম”র কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো। এতে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ নৈতিক খ্যাতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হতো। এছাড়াও অবৈধ ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ ছিলো ও অর্থ পাচার কমেছিল।

৫ই আগস্টের পর কাস্টমস এর অভিযান না থাকায় চোরা কারবারিরা অর্থ পাচার করে একেক চোরা কারবারিদের অর্থের নৈতিক সেক্টর আঙুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার মতন অর্থের পাহাড় গড়েছেন। কাস্টমস ও বিজির যোগসাজশে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন, চোরাকারবারিদের ব্যক্তিগত চয়েজে পিয়ন সহ ড্রাইভার ও চোরা চক্রের সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে মাসিক যুক্তিভিত্তিক চোরাকারবারিরা। প্রকৃত লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীরা নিলাম, ক্রয় ও বিক্রয় এর সেক্টর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যারা ব্যাবসা করতেন বর্তমানে তাদের অনেকেই মানতায় জীবন যাপন করেছেন বলেও অনুসন্ধানে উঠে আসে।

একটি মহল দাবি করেন প্রিভেন্ট টিম নেই, তবে সংবাদ কর্মীরা ৩ মাস তদন্ত করে প্রিভেন্ট টিম-এর কোনো কর্মকাণ্ডের নজির পাননি। উক্ত বিষয়য় সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেনি কুমিল্লা কর-কমিশনার মোঃ আব্দুল মান্নান সরদার। যদিও কর-কমিশনার মোঃ আব্দুল মান্নান সরদার দাবি করেন প্রিভেন টিম রয়েছে ও কাজও করছেন তবে তার কাছে প্রিভেন টিমে কারা কাজ করছেন কিংবা প্রিভেন টিম এর কোন কার্যক্রম এর নজির দেখাতে পারেনি। তবে তার সাথে সরাসরি দেখা করলে কয়েকজন সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে একপ্রকার প্রতিবেদককে এই অনসন্ধান থেকে সরে যেতেও ইঙ্গিত করেন। ঐ সময় তার অফিসে কয়েকজন ব্যবসায়ীদের বিশাল বড় গিফট নিয়ে তার সাথে দেখা করত, দেখা যায়। কাস্টমস এর উপ-কমিশনার সহ একাধিক কর্মকর্তা সহ কয়েক কর্মকতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান চলমান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ