1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সত্য প্রকাশের ‘শাস্তি’ সংবাদ লিখেই অপপ্রচারের নিশানায়। কলকাতার কফি হাউসে ইতিহাসের ছোঁয়া: আমগাছে সবুজের আহ্বান ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার মধুপুরে গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা -স্বর্ণালংকার লুট থানায় অভিযোগ মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত মা‌টিরাঙ্গায় ২ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার আ.লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কুড়িগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত কৃষক দলের সভাপতি স্বপনের সাহসিকতায় আটক দুই ছিনতাইকারী মাদরাসা শিক্ষা হবে আরও যুগোপযোগী, শিগগিরই নিয়োগ পাবে শিক্ষকরা

ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে মছলন্দপুর রিভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম দুই শ্রেণীতে দুইজন ছাত্র শিক্ষক পাঁচজন

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে ৬ নং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের মসলন্দপুর রিভারভারভিউ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনিয়ম পাওয়া গেছে। জানা যায়,সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় স্কুলে একটি ও ছাত্র-ছাত্রী নেই পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে দুইজন শিক্ষক একজন শিক্ষক তার বাচ্চাকে ভাত খাওয়াতে ব্যস্ত আর একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিল এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায় প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র দেব শর্মা তার ব্যক্তিগত কাজে পীরগঞ্জ অবস্থান করছেন সহকারী শিক্ষক শাহানাজ বেগম ও সাধন চন্দ্র রায়কে স্কুলে পাওয়া যায়নি। সহকারী শিক্ষক গুলমতি দেবশর্মা জানায় এখন লাঞ্চ টাইম তাই শিক্ষকরা ভাত খেতে গেছে আর অন্যক্ষেত্রে জানা যায় যে লাঞ্চ টাইমে আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থাকে না এছাড়াও মসলন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তৃতীয় শ্রেণীতেই একজন ছাত্র ও চতুর্থ শ্রেণিতে মাত্র একজন ছাত্র আছে বলে জানায় তবে প্রধান শিক্ষক বলেন যে স্কুলে ছাত্রছাত্রী না আসলে আমাদের করণীয় তো কিছু নাই। স্কুল ছেড়ে সহকারী শিক্ষক সাধন চন্দ্র রায় এক কিলো দূরান্ত চা খেতে যায় চা খেয়ে আসে তিনি বলেন যে আমি চা খেতে গিয়েছিলাম এরপর তার সাথে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইতে হলে তিনি উপযুক্ত প্রমাণ দিতে অস্বীকার করেন তিনি মৌখিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা দেন। একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী আসলে কী কারণে থাকছে না বিষয়টি একান্ত দৃষ্টি কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অথচ আশেপাশে ছাত্র কিন্ডারগার্ডেন ও কেজি স্কুলে টাকা দিয়ে পড়তেছেন তবুও সেই স্কুলে বিনা পয়সায় পড়াশোনা করছেন না। এর কারণ কি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ