1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টেকনাফে এপিবিএনের অভিযানে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের সদস্য আটক পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প, উপজেলায় প্রথম ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মফস্বলের প্রতিকূলতা পেরিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলো উম্মে মেহবুবা সফল নারী উদ্যোক্তা ও জনশক্তি রপ্তানিকারক মায়া বেগম পেলেন ‘দৈনিক আমার সংগ্রাম সম্মাননা-২০২৫’ বই পড়ি, দেশ গড়ি’,‘সেরা পাঠকের খোঁজে’কর্মসূচির উদ্বোধন ও আলোচনা সভা! পানছড়ির দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াদুদ ভূইয়ার উদ্যোগে ৯০ জোড়া বেঞ্চসহ আসবাবপত্র বিতরণ জেলায় শ্রেষ্ঠ টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম টেকনাফে যুবক-যুবতীদের জীবিকা ও জীবনমান উন্নয়নে আলোচনা সভা অনুষ্টিত মাদকবিরোধী অভিযান,১০ বোতল এসকাফ সিরাপ ও সিএনজিসহ নবীনগরের তিনজন গ্রেপ্তার! চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা আদালতে ভাঙচুর ও বিচারকের ওপর হামলার প্রতিবাদ, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল

ঈশ্বরদী নদী পারে সশস্ত্র অবস্থায় স্পিডবোট ও নৌকা রেখে মহড়া, স্থানীয়রা চরম আতঙ্কে

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

পাবনা প্রতিনিধি,
পাবনার ঈশ্বরদীর উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে চাঁদার দাবিতে বিগত তিন মাস ধরে গোলাগুলির ঘটনায় সবাই অবগত। তবে এবার দেখা গেল তার চিত্র। উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাজদিয়া ঘাটে প্রতিদিন সশস্ত্র অবস্থায় স্পিডবোট ও নৌকা রেখে আধিপত্য বিস্তারের চলছে প্রস্তুতি। সাধারণ মানুষ চলাচলের সময় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে কিছু যুবক। জনসাধারণের মনে প্রশ্ন তাদের কোন বালুমহাল নাই, তবে তারা এখানে সংঘবদ্ধ হয়ে আছে কেন? প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় না কোন ব্যবস্থা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি স্পিডবোট এবং দুইটি নৌকাসহ উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাজদিয়া ঘাট, ইসলাম পাড়া ঘাট, সাঁড়া ঘাটে বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু যুবক সশস্ত্র অবস্থায় ওত পেতে আছে। মাঝে মাঝে স্পিডবোট নিয়ে নদীতে মোহরাও দিতেও দেখা যায়। তবে এসব আয়োজন কেন, কেনই বা তারা নদীতে স্পিডবোর্ড নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। স্থানীয়রাও রয়েছে চরম আতঙ্কে।

অভিযোগ রয়েছে নাটোরে লালপুর উপজেলার দিয়ার বাহাদুরপার মৌজায় একটি বৈধ বালু মহাল আছে। সেখান থেকে প্রতিদিন ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবি করে আসছে ঈশ্বরদী বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টু ও তার ছোট ভাই মেহেদী ও সোনামনি। চাঁদার টাকা না দেওয়াই বালুবাহি নৌকাতে গত তিন মাস ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়ে আসছে তারা। বৈধ নৌ-চ‍্যানেল চার্জের ইজারাদারের থেকেও চাঁদার দাবির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাহলে কি এইসব চাঁদার টাকা উঠানোর জন্যই স্পিডবোট ও নৌকা রেখে অপেক্ষা? আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অদৃশ্য শক্তির কারণেই রয়েছেন নিশ্চুপ?

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ স ম আব্দুন নূর জানান, এই বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় এবং সচেতন মহলের দাবি দ্রুত এসব চাঁদাবাজ এবং অবৈধভাবে স্পিডবোট এবং নৌকাযোগে আধিপত্য বিস্তার রোধ করবে এমনটাই আশা সকলে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ