নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজের অসংগতি, মাদক, ধর্ষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদ করায় একজন সাবেক গণমাধ্যম কর্মীকে হেয় ও দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মতিউর রহমান রিয়াদ।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, মোখতারুর রহমান মীরধা নামের এক ব্যক্তি আইন পরিপন্থী ও মনগড়া স্ট্যাম্প তৈরি করে তার ২য় পুত্র মতিউর রহমান রিয়াদকে জড়িয়ে একটি সাজানো সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রিয়াদকে ‘তেজ্যপুত্র’ ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি ৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মুন্সিগঞ্জে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশের প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইন ও মুসলিম পারিবারিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে কি না—সে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
আইনজীবীদের একটি অংশ মনে করছেন, এ ধরনের ‘তেজ্যপুত্র ঘোষণা’ কোনোভাবেই আইনি বৈধতা রাখে না। রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী এমন ঘোষণার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই এবং মুসলিম আইনের দৃষ্টিতেও এটি প্রশ্নবিদ্ধ।
এ বিষয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,
“সমাজ সংস্কারের কথা বললেই যদি কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা হয় বা পারিবারিক নাটক সাজিয়ে জনসম্মুখে অপমান করা হয়, তাহলে তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।” তারা আরও বলেন, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধকে রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে এবং আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
Leave a Reply