1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. : notespanel :
  4. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাধবপুরে সাংবাদিককে সোহাগের প্রাণনাশের হুমকি: মামলার প্রস্তুতি শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারেঃ মুক্তিজোট ওসি আপতাফ কতোঃ থানার নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান ময়মনসিংহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন কালিয়াকৈরে ইভটিজিংয়ের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড নরসিংদীতে ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রমনা রেজিমেন্ট বিএনসিসির উদ্যোগে বিইউবিটিতে ইভটিজিং এর কুফল ও প্রতিকার শীর্ষক একটি সময়োপযোগী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্যামনগরের বিনামূল্ এক হাজার লিটারের ৭৭ টি পানির ট্যাংক ও সেটিং উপকরণ বিতরণ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিতদের ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের অভিনন্দন গ্রাহকের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ জালিয়াতির মাধ্যমে রূপায়ণ হাউজিংয়ের নকশা অনুমোদন দুদকের জালে রাজউকের ৪৬ কর্মকর্তা ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবা সহ একজন গ্রেপ্তার

ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক
সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তার নাম সেলিম মিয়া (৪২)। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

আজ শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে পাঠানো হয় সিলেট আদালতে। এর আগের দিন রাতে ভিকটিমের পিতা মামলা দেয়ার পর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের মান্দারুকা গ্রামে ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার সূত্র জানায়, ধর্ষিতা ছাত্রী উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। গত রমজানে দারুল ক্বিরাত শিক্ষা কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা নিতে স্থানীয় একটি মসজিদে ভর্তি হয় সে। ওই শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক ছিলেন ক্বারী সেলিম মিয়া। সে সুবাদে তার সাথে মেয়েটির পরিচয়। ঘটনার দিন মেয়েটি নিজ বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাবার পথে, তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

সিলেট শহরের একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে। পরে পরিবারের সদস্যদেও বিষয়টি জানায় ভিকটিম। জানাজানি হবার পর টাকায় ঘটনাটি রফাদফার চেষ্টা করেন তিনি। পরদিন রাতে থানায় এসে মামলা (নাম্বার-৬) দেন ভিকটিমের পিতা।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, ‘মেয়েটির পিতা থানায় এলে আমরা দ্রুত মামলা নেই। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ