1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঘামের গন্ধে দূরত্ব, মিছিলে আপন—এই কি রাজনীতির দর্পণ!? মনোহরদী থানা এলাকায় অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার মনোহরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা পাঁচবিবি ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ইফতার আমতলীত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারেরপ্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কুড়িগ্রামে প্রাইভেট পড়ানোর সময় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে স্থানীয় অংশীদারদের সাথে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ বালিয়াকান্দিতে খাস জমি দখলমুক্ত: ইউপি চেয়ারম্যানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, উদ্ধার ৩০ শতক সরকারি জমি কুড়িগ্রামে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

সবাইকে পহেলা বৈশাখের সার্বজনীন উৎসবে অংশ নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

  • প্রকাশকাল: রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নানা মত-ধর্ম-রীতিনীতির মধ্যেও আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। এ দেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জনগোষ্ঠী– সবমিলিয়ে এ দেশের মানুষের বিচিত্র ভাষা-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য। আগামীকাল পহেলা বৈশাখ; আমাদের এই সম্প্রীতির অন্যতম প্রতীক। প্রত্যেকে নিজ নিজ উপায়ে, নিজেদের রীতি অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ উদযাপন করবেন, সার্বজনীন এ উৎসবে অংশ নেবেন।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন আয়োজিত রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘অতি প্রাচীনকাল থেকেই এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল এখানকার বৌদ্ধ বিহারগুলো। এগুলো আমাদের ঐতিহ্য ও সভ্যতার নির্দশন। পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে ভিক্ষু ও ছাত্ররা এ বিহারগুলোতে আসতেন, মহামানব বুদ্ধের শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেন। শুধু ধর্মীয় আচার ও শিক্ষা নয়, সমাজে জনকল্যাণকর কর্মসূচিরও কেন্দ্র ছিল এ দেশের বৌদ্ধ বিহারগুলো।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মহামানব গৌতম বুদ্ধ বিশ্বমানবতার কল্যাণে সম্প্রীতি ও সাম্যের বাণী প্রচার করেন। বৌদ্ধধর্ম জীবজগতের সব প্রাণীর মঙ্গল কামনা করে। মহামানব বুদ্ধ বলেছেন, শান্তি, সুখ থেকে আমরা কাউকে বঞ্চিত করতে পারি না; এমনকি ক্ষুদ্র জীবও। এ দেশের বৌদ্ধ পন্ডিত অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববরেণ্য একজন মহাপন্ডিত। বুদ্ধের বাণী তিনি বহন করে নিয়েছিলেন সেই মহাচীনের তিব্বতে। চীনে এখনও তাকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় শ্রদ্ধা জানানো হয়। বৌদ্ধ ধর্মের নির্দশন, স্থাপনা, ঐতিহ্য ও পন্ডিতরা মানব সভ্যতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘আজ যেখানে আমি দাঁড়িয়ে আছি, এই আন্তজার্তিক বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অন্যতম নিদর্শন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের বাণীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং কারিগরি শিক্ষাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণকর কর্মসূচি পালন করে আসছে এ বৌদ্ধ বিহার। আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের সম্প্রীতি ভবন বাংলাদেশের সম্প্রীতি ও মানবতার ঐতিহ্যকে ধারণ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গৌরবময় ভূমিকা রাখবে এই আমার প্রত্যাশা। আমাদের সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের জয় হোক। বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক।’

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ