“
সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি
নরসিংদীর রায়পুরায় কিশোর অটোরিকশাচালক মনির হোসেন (১৬) হ’ত্যা ও অটোরিকশা ছি’নতাইয়ের ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), নরসিংদী জেলা। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও শনাক্ত মতে নি’হ’তের অটোরিকশার চারটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার শেরপুর গ্রামের আসাদ মিয়া ওরফে এরশাদ (৩৮) এবং একই উপজেলার হাটুভাঙা গ্রামের জাহিদুল মিয়া (৩০)।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ৯টার দিকে রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি এলাকার বাসিন্দা শাহআলম মিয়ার ছেলে মনির হোসেন অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাবা রায়পুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরবর্তীতে গত ৫ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ শিকদারপাড়া (দরগাবাড়ি) সংলগ্ন বিলের কচুরিপানার মধ্যে একটি লাশ ভেসে উঠতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লা’শটি নিখোঁজ মনির হোসেনের বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মনিরকে তাঁর পরিহিত প্যান্টের বেল্ট দিয়ে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা করা হয়। পরে লা’শ গু’মের উদ্দেশ্যে বিলের পানিতে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। এ ঘটনায় ৬ অক্টোবর রায়পুরা থানায় হ’ত্যা ও আলামত গোপনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্তে পিবিআই নরসিংদী জেলা ইউনিট কাজ শুরু করে। পিবিআই প্রধান মো. মোস্তফা কামালের নির্দেশনা এবং নরসিংদী জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।
তদন্তের একপর্যায়ে গত ১৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বাগপাড়া বুরুজেরটেক এলাকার একটি বাড়ি থেকে আসাদ মিয়া ওরফে এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য ও শনাক্ত মতে নিহতের অটোরিকশার চারটি ১২ ভোল্টের ‘এধংঃড়হ চষঁং’ ব্যাটারি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়
Leave a Reply