1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নরসিংদী ‘দুর্গাপূজা ঘিরে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত ফ্যাসিস্ট সংগঠন’ গোপালপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন কমিটি অনুমোদনঅভিজিৎ দে (নিন্টু) সভাপতি ও প্রলয় কুন্ডু সম্পাদক হামলা-মামলা ও আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন রাহুল খাগড়াছড়ি সীমান্তে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ভারতীয় মাদকসহ ২.৬১ লাখ টাকার মালামাল জব্দ দূর্গা মন্ডপ পরিবেশন করেন আলহাজ্ব মো: মনজুরুল ইসলাম এমপি দিনাজপুর -১ বাগেরহাট কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার সোনারগাঁয়ের নিখোঁজ কিশোরী নিলিমা এখন পল্টন থানায়, স্বজনদের খোঁজ চলছে নরসিংদী উপকরণের দাম বাড়ায় লাভ নিয়ে শঙ্কায় নরসিংদীর প্রতিমা শিল্পীরা সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার জন্য হাজারো মানুষের দোয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার সুযোগ দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

হামলা-মামলা ও আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিএনপি নেতা নুরুল আমিন রাহুল

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ছাত্ররাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রাম, হামলা-মামলা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে কচুয়া উপজেলার ৭ নং বাধাল ইউনিয়নের পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন যুবদল নেতা নুরুল আমিন রাহুল। তৃণমূল পর্যায় থেকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা যায়, ২০০১ সালে ছাত্রজীবনে রাজনীতির প্রতি আগ্রহ থেকে তার রাজনৈতিক পথচলার সূচনা হয়। ২০০২ সালে পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। এরপর দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি (২০০৬) সালে বাধাল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং পরবর্তী তে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি (২০০৭-২০১২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে বাধাল ইউনিয়ন ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে কাজ করেন। ২০১২ সালে কচুয়া উপজেলা ছাত্রদলের পুর্নাঙ্গ প্রস্তবিত কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন, এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
২০১৭ সালে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর নির্দেশে তৎকালীন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক তিনি বাধাল ইউনিয়ন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে ইউনিয়ন যুবদলকে সুসংগঠিত করে ফ্যাসীবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে অগ্রনি ভুমিকা পালন করেন। ২০২০ সালে জিয়া সাইবার ফোর্স, কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন এবং শোসাল মিডিয়ায় দলিও প্রচার প্রচারনা করে দল ও নেতা কর্মীদের আন্দোলনে উজ্জিবীত করনে বিশেষ দায়িত্ব প্রাপ্ত হন যা পরবর্তী তে জুলাই ২৪ এর গন অভ্যুথ্যানে বিশেষ বার্তা বহন করে,পাশাপাশি জাতিসংঘ ঘোষিত এশিয়ান মাদার এন্ড চাইল্ড সেফ ফাউন্ডেশন কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং অধিকার ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়া ২০২৬ সালের ৯ মে বাধাল ইউনিয়ন উন্নয়ন উন্নয়ন সমন্বয়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিকবার হামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ২০১০ সালের ৩০ শে মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীর কর্মসূচি শেষে কচুয়া থেকে বাধাল ফেরার পথে তৎকালীন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে।
এছাড়া ২০১৩ সালে গজালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন শেষে ফেরার পথে কচুয়া সদরে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলার মুখোমুখি হতে হয় এবং বাড়ি থেকে ঢাকায় গিয়ে ৩ বছর নির্বাসিত জীবন যাপন করতে হয়,২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে রাতের আধারে তার বাড়িঘর ঘেরাও করে জীবন নাশ এর চেস্টা করে সৈচার আওয়ামী পেটোয়া বাহিনী এবং পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, নানা প্রতিকূলতা, হামলা-মামলা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও নুরুল আমিন ( রাহুল ) কখনো রাজপথ থেকে সরে যাননি। দলের দুঃসময়ে তিনি মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
তারা বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাহসিকতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে নুরুল আমিন (রাহুল) আজ কচুয়া উপজেলার বিএনপির রাজনীতিতে একটি পরিচিত ও আলোচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে এলাকায় প্রতিনিধি হিসেবে সকলের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ