1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শিক্ষার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে ফারজানা ইয়াসমিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমতলীতে বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে যুবদল আহবায়কের সংবাদ সম্মেলন! রাজশাহীতে অপরাধ দমনে পুলিশি টহল জোরদার ডিএনসির অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ কোটি টাকার মানবপাচার রোধ প্রকল্প কেবল শহরকেন্দ্রিক সেমিনারে সীমাবদ্ধ: গাইবান্ধার চরে বাড়ছে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য প্রয়াত শিক্ষকদের শ্রদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্তদের সম্মান জানিয়ে নজির গড়ল কলানবগ্রাম চক্র নোয়াখালীতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. নাজিমুল হককে ফুলেল শুভেচ্ছা কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা, থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ

নবীনগরে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ৩০, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট!

  • প্রকাশকাল: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
নবীনগরে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ৩০, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট

​সাধন সাহা জয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী ‘শিশু গ্রুপ’ এবং প্রতিপক্ষ ‘হোসেন গ্রুপ’-এর মধ্যে চলা এই সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও আধিপত্য বজায় রাখা নিয়ে শিশু মিয়া এবং আবুল হোসেন মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকেলে বিটঘর বাজার থেকে গ্রামে ফেরার পথে আবুল হোসেনের তিন সমর্থককে আটকে মারধর করে শিশু গ্রুপের লোকজন। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের সমর্থকরা রামদা, টেঁটাসহ নানা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চার ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

​সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​এদিকে বারবার এমন সংঘর্ষের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক নাগরিক অভিযোগ করেন, “ক’দিন পর পরই এই দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করলেও প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, ফলে দাঙ্গাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।”

তিনি অবিলম্বে অস্ত্রধারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

​এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম. এম. রকীব উর রাজা জানান, পুলিশ দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এলাকায় পুনরায় কোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

​আহতদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এই দীর্ঘদিনের স্থায়ী সংঘাত নিরসনে এবং জড়িত অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে আইনের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ