এ আর হানিফ;
ঢাকা,৩০ জুলাই, ২০২৬ খ্রিঃ
মাতুয়াইলের কৃতি সন্তান সারোয়ার আরিফ উদ্দিন একাধারে একজন সফল উদ্যোক্তা, গণমাধ্যমকর্মী, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। তিনি মাতুয়াইল দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা কুতুব উদ্দিন আহমেদ খান শাহ মাতুয়াইলী (রহ.) এবং ইমাম সৈয়দ আবুল ফজল সুলতান আহম্মদ শাহ চন্দ্রপুরী (রহ.)-এর মেজো মেয়ে সৈয়দা আনোয়ারা সুলতানার সুযোগ্য পুত্র।
ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখে বেড়ে ওঠেন সারোয়ার আরিফ উদ্দিন। শিক্ষাজীবনে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক, সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
কলেজজীবন থেকেই লেখালেখির পাশাপাশি স্বচ্ছ গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে মিডিয়াপাড়ায় নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি। সাংবাদিকতা দিয়েই তার পেশাজীবনের শুভসূচনা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি ‘মাসিক গতিবিধি’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইতিপূর্বে তিনি ‘ঢাকা পূর্বাঞ্চল প্রেসক্লাব’-এর সভাপতির দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ‘দৈনিক ঐশী বাংলা’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদকের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। এছাড়া, তিনি রোটারি ক্লাব ও ঢাকা পাইওনিয়ার ক্লাবের দীর্ঘকালীন সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন।
মাতুয়াইলের একটি সম্ভ্রান্ত ও প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান হওয়ায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘সেফ এইড জেনারেল হসপিটাল লিমিটেড’। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ডেমরা অবস্থিত এই হাসপাতালটি ইতোমধ্যে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষের আস্থার জায়গা অর্জন করেছে।
জীবিকা ও ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তিনি ‘প্যারেডস প্রপার্টিজ’ নামক একটি ডেভেলপার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি স্বল্প আয়ের মানুষের আবাসন সংকট দূর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তাদের একটি নিরাপদ ঠিকানার নিমিত্তে নিষ্কণ্টক ফ্ল্যাট হস্তান্তর করে আসছেন।
শিক্ষাঙ্গনকে আরও গতিশীল ও সুন্দর করতে নিজেকে একজন নিবেদিত সেবক হিসেবে নিয়োজিত রাখতে চান সারোয়ার আরিফ উদ্দিন। এরই অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর অভিভাবক প্রতিনিধি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার এই অংশগ্রহণ অভিভাবক মহলে এক প্রাণচাঞ্চল্য পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সাধারণ অভিভাবকরা মনে করছেন, শিক্ষাঙ্গনে সারোয়ার আরিফ উদ্দিনের মতো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
সরেজমিনে অভিভাবকদের মতামত নিতে গিয়ে জানা যায়, সারোয়ার আরিফ উদ্দিন একজন ব্যক্তিত্ববান সমাজসেবক। আমরা অভিভাবকরা তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব। কারণ তিনি অতীতে কোনো আনুষ্ঠানিক পদ ছাড়াই সব সময় অভিভাবকদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং শিক্ষাঙ্গনের সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করে গেছেন—যা আমরা স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করেছি।”
সারোয়ার আরিফ উদ্দিনের মতো দূরদর্শী ও সৎ ব্যক্তিত্বের ছোঁয়া পেলে অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এলাকার সামাজিক উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী ও সচেতন অভিভাবক সমাজ।
Leave a Reply