নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা কে বিভক্ত করে “দক্ষিণ গফরগাঁও” নামে নতুন উপজেলা গঠন বিষয়ে ৮ জুলাই, ২০২৬ অতিরিক্ত সংখ্যা প্রকাশিত, বাংলাদেশ গেজেট এর শুধুমাত্র উপজেলা সদর দপ্তরের স্থান নয়াবাড়ী মৌজার যৌক্তিকতা চ্যালেঞ্জ করে দক্ষিণ গফরগাঁবাসীর পক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল গফরগাঁও উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান (ফুরকান) এর রিট আবেদেনের প্রেক্ষেতে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ গত ২৭/০৭/২০২৬খ্রি. তারিখ ২০২৬ সালের রিট পিটিন নং-৯৭৭৫ মূলে কেবলমাত্র সদর দপ্তরের স্থানে স্থাপনা নির্মাণসহ সংক্রান্ত কর্মকান্ডের উপর ২ (দুই) মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং একই সাথে সচিব মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এবং অন্যান্যদের নিকট এর ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট। তৎপ্রেক্ষিতে আজ ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখ বেলা ১১ ০০ ঘটিয় বিভাগীয় কমিশনার, ময়মনসিংহ এবং জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহের সরেজমিনে পরিদর্শন কে কেন্দ্র করে স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু সাহেবের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তত্ত্বাবধানে কান্দিপাড়া বাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকার লোকজন নিয়ে নয়াবাড়ী মৌজার পক্ষে গণজমায়েত করার জন্য কান্দিপাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষে সভাপতি ও সেক্রেটারী।
নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার প্রকৃত সুবিধাভোগী ৮টি ইউনিয়ন যথাক্রমে ১। মশাখালী, ২। লংগাইর ৩। উস্থি ৪। পাঁচবাগ ৫। দত্তেরবাজার ৬। পাইথল ৭। টাংগাব ও ৮। নিগুয়ারী। অথচ এর সদরদপ্তরের স্থান নয়াবাড়ী মৌজার পক্ষে সমর্থণ দিতে উত্তর গফরগাঁও এর ৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নেতাকর্মীরা ৮টি বাসসহ ও ৫ শতাধিক হোন্ডা বহর নিয়ে সকাল ১১.০০ ঘটিকায় কান্দিপাড়া পৌছেন। নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার স্থান নয়াবাড়ী থাকলে ভালো হবে না দত্তেরবাজার ইউনিয়নের পাগলা বা আশেপাশের মৌজায় থাকলে ভালো হইবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ উত্তর গফরগাঁও নেতাকর্মী না দক্ষিণ গফরগাঁওবাসীর কাজ? কেননা তারতো দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার জনগনই না, তবে তাদের কি কারনে আনা হয়েছে? তাছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কান্দিপাড়া বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গিয়াছে যে- উপজেলার সদর দপ্তরের স্থান নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধে পক্ষে-বিপক্ষে জনসমর্থন আদায়ে সাংবাদিকসহ নেতাকর্মীদের আসাযাওয়ার খরচের টাকার যোগানে চাঁদা দিতে দিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা একেবারেই দিশেহারা হয়ে পরছেন। কাউকে কিছুই বলতে পারছেন না তাহারা এ বিষয়ে।
প্রকাশ থাকে যে- উত্তর গফরগাঁও হতে কান্দিপাড়ার মানব বন্ধনে আগত নেতাকর্মীরাই গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ পরবর্তী সময়ে গফরগাঁও এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখলদার বাহিনীর লোক। তারা থানা, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ অফিস সিন্ডিকেট বালি-ঘাট, বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ড, রেলওয়ে ষ্টেশন, হাটবাজারসহ উপজেলা ও পৌরসভার সকল স্থানে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী ও বিচারের নামে প্রহসন চালিয়ে অবৈধ টাকা হাতিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন প্রতিনিয়ত। আর এদের সুযোগ করে দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, ময়মনসিংহ-১০ আসনের এমপি নিজেই। আজ তারা এমপির সমর্থন ও পক্ষে কাজ করতে কান্দিপাড়া আসছেন বলে দাবী তুলেছে দক্ষিণ গফরগাঁওবাসী। তারা আরও বলেছেন যে- এরাই উপজেলা, থানা, পৌরসভাসহ ইউনিয়ন পরিষদসমুহের প্রতিটি বরাদ্দের উপর উন্নয়নের নামে বাটবাটোয়ারা করে নিজেদের আখের গোচাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
Leave a Reply