রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
সত্যকে আড়াল করতে একের পর এক বিভ্রান্তি ছড়াতে মরিয়া চক্রটি।!
প্রতারণা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আসামী জাহিদ, ফজলার ও শফিকুল গনের বিরুদ্ধে উঠেছে নতুন করে নানা কৌশলে ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়াসহ ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে “সাধু” সাজার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তারা শতভাগ অপরাধী জেনে ও বুঝেও চালাচ্ছে অপপ্রচার, ফেসবুকসহ গনমাধ্যমে নিজেদের কন্ঠে প্রকাশ করেছেন, তারা প্রতারক চক্রের সদস্য নয়। তাদের দাবী তারা একেবারে নির্দোষ, পুরোটাই সাধু, তাদেরকে জড়ানো হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের অফিসার ও দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
“অতি চালাকের গলায় দড়ি” এমন মন্তব্য এখন জনমুখে উচ্চারিত হচ্ছে বারং বার।
কারণ, দীর্ঘদিন যাবত সকলের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আড়ালে থাকা নানা তথ্য ধীরে ধীরে সামনে আসতে শুরু করেছে।
মুখোশ উন্মোচনের আশঙ্কায় এখন দিশেহারা চক্রটি।
উন্মোচিত হতে যাচ্ছে পল্টিবাজ দলকানা শফিকুল ইসলামসহ অন্যদের মুখোশ, প্রকাশ্যে আসছে তাদের তল্পিবাহকদের পরিচয়ও।
কে এই জাহিদ, ফজলার ও শফিকুল?
অভিযোগ রয়েছে, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা ও নানা অনিয়মের নেপথ্যে রয়েছে মুলহোতা জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন সময় উঠে এসেছে ফজলার ও সহোদর ভাই শফিকুল ইসলামের নাম।
শফিকুল ইসলাম শিক্ষকতা ও ক্লিনিক ব্যবসার আড়ালে পরিচালিত হচ্ছে নানা অজানা কর্মকাণ্ড, এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে মুখে।
বিভিন্ন সূত্র বলছে, সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকে পুঁজি করে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল চক্রটি।
তবে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহে একের পর এক বেরিয়ে আসছে বিস্ময়কর সব তথ্য, যা নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
সচেতন মহলের দাবি, প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ ব্যপারে আদালতে চলমান ২৭ এপ্রিল’২৬ তারিখের সিআর মামলা নম্বর ২০৭-এর বাদী সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ শাহানাজ পারভীনের সাথে কথা হলে তিনি জানান তার ছেলে জিসান আল আহাদ পারভেজ কে কোম্পানি ভিসায় অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর জন্য প্রতারক চক্রটি তার কাছে ১৭ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ছেলেকে বিদেশে না পাঠিয়ে তালবাহানা শুরু করায় আদালতে মামলা করেছি। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য অফিসার ইনচার্জ বীরগঞ্জ থানায় প্রেরণ করেছেন।
মামলার বিষয় জানতে পেরে ঐ মামলার অভিযুক্ত আসামিদের পক্ষে শফিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইলে হুমকি দেয়।
হুমকি দেয়ার ঘটনায় ৩ মে’২৬ তারিখে থানায় ১৬৪ নম্বর সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি মামলা ও জিডির কথা স্বীকার করেছেন।
সকল তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ সাপেক্ষে মামলাটি এসআই খোকন চাকি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছেন।
Leave a Reply