নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মুন্সিগঞ্জ, লৌহজং উপজেলার, বৌলতলী ইউনিয়নের বর্তমানে আতঙ্কের আরেক নাম আরেক নাম , ওমর ফারুক অবাক।
সম্প্রতি উপজেলার নওপাড়া বাজারে অবাকের চাদাবাজি কে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে, একে একে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে ওমর ফারুক অবাকের কুকীর্তিগুলো।
অবাকের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রোসানলে পড়ে একজন নিরপরাধ লোক কিভাবে মাদক ব্যবসায়ী হয়ে যায়, এমনই এক নেক্কারজনক ঘটনা সাক্ষী হয়েছে লৌহজং উপজেলাবাসী। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে , বৌলতলী ইউনিয়নের নওপাড়া বাজার ও আশেপাশের এলাকায় অধিপত্য বিস্তার করার জন্য, গত মার্চ মাসের ২৭ তারিখে, ওমর ফারুক আবাক এবং রহমান দপ্তরি গং মিলে, বৌলতলী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম বেপারীকে, মিথ্যা মাদক মামলায়, সিরাজদিখান থানা পুলিশ দিয়ে, মাদক সহ ধরিয়ে দেয়। ওমর ফারুক অবাকরা জানতো, জসিমকে যদি লৌহজং থানা পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করানো হয়, তাহলে তাকে আটকে রাখা যাবে না। এই জন্য তারা এই ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।
সিরাজদিখান থানা, লৌহজং থানাকে ফোন দিলে, লৌহজং থানা পুলিশ, ওমর ফারুক অবাকের সাথে যোগাযোগ করে, তখন অবাক জসিমকে রিকভারি দিয়ে গ্রেফতার করতে বলে।
অবাক বুঝতে পেরেছিল যে জসিম বেপারী দলীয় পদ থাকা অবস্থায় নওপাড়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া কোনভাবেই সম্ভব না। এজন্য তারা ভিন্ন পথ অবলম্বন করে তারা তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করার ব্যবস্থা করে। জসিম বেপারীর একটাই দোষ, সে কেন মিজানুর রহমান সিনহার প্যানেলে রাজনীতি করে।
সিরাজদিখান থানা পুলিশ আলোচনার এক পর্যায়ে সেটেলমেন্টে রাজি হলে । হঠাৎ সিরাজদিখান থানা ওসির কাছে অদৃশ্য কল আসে (বলার আর অপেক্ষায় থাকে না অদৃশ্য টা কে) এবং ওসিকে আদেশ দেওয়া হয় জসিম বেপারীকে যেন কোনভাবেই না ছাড়া হয়।
এরপরে বদলে যায় সিরাজদিখান থানার ওসির আচরণ। ওসি তখন বলে জসিম বেপারী তো মিজান সিনহার রাজনীতির সাথে জড়িত। যদি মিজান সিনহা তার সমস্ত সম্পত্তি আমার নামে লিখেও দেয় তবুও জসিম বেপারীকে ছাড়া সম্ভব না।
বিভিন্ন চড়াই-উৎরাই পার করে জসিম বেপারী এখন জামিনে মুক্ত। মিজানুর রহমান সিনহার রাজনীতি করার কারণে পেয়েছে মাদক ব্যবসায়ীর অপবাদ, হারিয়েছে পথ পদবী।
Leave a Reply