মাসুম ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
মানবিক সরকারের ভাবনা বনাম নৈরাজ্যর গভীরের বাস্তবতা(ডিপষ্ট্যাট)
আলোচনা সমালোচনা গনতন্ত্রের সৌন্দর্য যেমন সত্য তেমনি মিথ্যা সমালোচনা ও কাউকে নিয়ে অশালীন কটাক্ষ ও কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ফৌজদারী অপরাধ।সমসাময়িক সময়ে খুবই উদ্যগের সাথে দেখা যাচ্ছে যে একজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় বিষেদাগার করছে একটি কুচক্রীমহল ও উশৃংখল গোষ্টী।প্রধানমন্ত্রী একটা নির্বাচিত সাংবিধানিক পদ।আর সেই সন্মানে রাষ্টের নিজস্ব অরগনাগ্রামের আদলেই স্পষ্ট আইন ও অপরাধের সাজার কথা উল্লেখ আছে।সবকিছু যদি বাদও দেয় একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে পুলিশ ও বিভিন্ন এজেন্সির সাইবার ইউনিটের নিজ উদ্দেগে এই উশৃংখলতা ও সাইবার বুলিং এর অপরাধীদের গ্রেফতার করে সাজা দেওয়ার কথা ছিলো ।কিন্তু পুলিশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এবং তথ্যা অধিকারের কর্তা তথ্যমন্ত্রী অজানা কারনে নীরব । প্রধানমন্ত্রীর সামরিক রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উপদেষ্টাদের রীতিমতো প্রতিবন্ধীর ভুমিকায় আপাতত দেখা যাচ্ছে।মিডিয়ার মধ্য অনেক সাংবাদিক ও মিডিয়া রীতিমতো সরকারের বিপক্ষে সুকৌশলে অপনিউজ করে যাচ্ছে বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলিগের সময়ে হাসিনার অনেক সাংবাদিক।তারা এখনো আমাদের মাঝেই বিচরন করছে আর হাইব্রীড বিএনপি সমর্থক সেজে এরাই বিভিন্ন তদবীর বাগিয়ে নিচ্ছে খোদ বিএনপির প্রায় সর্বচ্চ পর্যায়ের শীর্ষ নেতার কাছে থেকে।এরা রন্ধে রন্ধে ঢুকে বিএনপির ভিতরে গ্রুপিং তৈরী ও সরকার তথা এন্টিপাবলিক সেন্টিমেন্ট কাজ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কারও বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা।প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটুক্তি ও অশালীন ভাষায় আক্রমন ও হুমকি এভাবে চলতে থাকলে আস্তে আস্তে এই ধরনের কার্য্যক্রম নাগালের বাহিরে যাবে হঠাত অপপ্রচারে অনলাইন প্রবাকান্ডায় বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছেনা।আওয়ামীলিগ এবং জামাত শিবির মিলে তার সাথে আমাদের ভিতরে বনে যাওয়া কিছু হাইব্রিড মিলে কিছু পেট্রল পাম্পের এর সহযোগিতায় তেল খোলাবাজারে ওপেন বিক্রি হচ্ছে।খোলাবাজারে ব্ল্যাক তেলের বিক্রির মহাউৎসব দেখে নেজেকে ঠিক না রাখতে পেরে সেদিন উত্তরা জোনের ডিসিকে ফোন করে বিষয়টি জানালেও কোন একশন নেননি উনি আমাকে চায়ের দাওয়াত দিলেন।অধিকাংশ পাম্প মালিক আওয়ামীলিগের মালিকানা।অনেক পাম্পের চুক্তির মেয়াদ শেষ ।খোদ নিক্সন চৌধুরীর সরাসরি মালিকানা পাম্প এর চুক্তির মেয়াদ শেষ হইলেও কিছু মতলবী বিচারকের নিকট থেকে সম্পুর্নী বেয়াইনী চুক্তির স্টে অর্ডার এনে এখনো পাম্প চালাচ্ছে ।সঙ্গে সহযোগিতা করছে কিছু আমলা।এখনো চলছে।আওয়ামীলিগ বসে নেই।মাঠে মাঠে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে ডিপ ষ্ট্যাটের মাষ্টার প্লানারগন সেই প্লানারে যুক্ত হয়েছে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীমনা চরিত্রের আরেকটা মোনাফেক দল একদলের আছে ভারতপ্রেম অন্যজনের পাকিস্থানী প্রেম।হেডকোয়ার্টারে এক অতি: ডিআইজিকে স্ক্রীপটগুলো দিয়ে বললাম ভাই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন অপরাধে আপনাদের ভুমিকা নেই কেন?জবাবে বললেন নতুন কিছু আসেনাই। পুলিশের সাইবার টিম কাজ করছেনা। গা ছেড়ে দিয়ে বসে আছে।আমার ব্যক্তিগত অনেক অভিজ্ঞতা ও তথ্যা আছে।প্রশাসন বিশেষ করে পুলিশ প্রসাসন কাজই করছেনা।সরকার ইন্সট্রাকশন দিলেও তারা বরং উলটো রোল পালন করছে।ওসিদের অনেকেইতো এখনো বিগত ফ্যাসিষ্টের এজেন্ডা ভিতরে ভিতরে চালিয়ে যাচ্ছে।পুলিশ কেন কাজ করছে না কোথায় করছে না যদি উল্লেখ না করে যায় তাহালে ঢালাও অভিযোগ হয়ে যায়।গ্যাস সিলিডারের অতিরিক্ত মুল্য নেয়া,মার্কেটের সরকারী নির্দেশনা আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনার পরে তা না মানা,বর্তমান সংকটকালে খোলা তৈল বাজারে বিক্রি করলেও পুলিশের সামনেই নলেজেই বিক্রি করে তেলের গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে।কোন ভুমিকা নেই পুলিশের।
মোটাদাগে কয়েকটি আমলাতান্ত্রিক পদ ছাড়া সকল জায়গায় আওয়ামী ফ্যাসিষ্টদের রেজিমের জয়জয়কার।তারেক রহমানের মানবিক সরকারের সুযোগের সদ্যব্যবহার তারা করছে পুরোদমে।বরং কিছু ক্ষেত্রে বিগত ফ্যাসিষ্ট আমলের নির্যাতনের চেয়ে বড় মাত্রার নির্যাতন নেমে এসেছে বিএনপিপন্থী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের এবং ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেনীর বিএনপির সমর্থক কর্মীদের উপর।বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্ট্মেন্টের সকল জায়গায় ,সিটি কর্পোরেশন,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর,হাউজিং,গনপূর্ত,বিভিন্ন পৌরাসভা,কাউন্সিলর অফিস,সিভিল এভিয়েশন ,রিক্রুটিং এজেন্সিদের সংগঠন,সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন টার্মিনালের লীজকৃত ঠিকাদার,পেট্রোপাম্পগুলোর মালিক এসোসিয়েশন,টিসিবি ডিলার,ও সার বীজ ডিলার,বিভিন এসোসিয়েশন যেমন এলপি গ্যাস, এসোসিয়েশন, সাবেক সিবিএর নেতাদের আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া সাবেক ফ্যাসিষ্টের লোকজন যেমন ওয়াসা,বিদ্যুত এর মতো জনগুরুত্বপুর্ন জায়গায়,হাসপাতালে ,বিভিন্ন সরকারী ডিপার্ট্মেন্টে এরা কোননা কোনভাবে এখনো সরকারবিরোধী কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে নীরবে।সরাসরি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নামকাওয়াস্তে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন বসিয়ে গিয়েছে হাসিইনা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিমানবন্দরে আগুন লাগার বিষয়টি আজও কেন যেন অজ্জান্তেই রইলো ।বিমান বাংলাদেশের পরিচালক প্রশাসন যিনি বগুড়ার সন্তান ও আওয়ামী বিরোধী অফিসার হিসাবে পরিচিত।তাকে সরিয়ে দেওয়ার কয়েকদিনের মাথায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা হইলো ।সমস্ত কার পার্কিং ও অন্যন্য ম্যাকানিজমগুলো আওয়ামী দোসরদের লীযে দেওয়া এবং ফ্লাইট সেফটি প্রধান,ব্যবস্থাপক ,সিকিউরিটি প্রধান সবাই সাবেক ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতাকর্মী ছিলেন সেখানে সন্দেহের দানাটা অগোচরেই রয়্যে গেছে।
১৭ বছরের সেই ফ্যাসিষ্ট শিবিরের সেই জঞ্জালকে আগলে নিয়ে তারেক রহমানের সরকার যদি মনে করে মানবিক সরকার হয়ে মানুষের জন্য ভালো কাজ করে ভালোবাসা নিয়ে পরবর্তী জনসমর্থনের ম্যান্ডেট নিবেন আমার মনে হয় সেই চিন্তাটা বিফলে যাবে।
মানবিক সরকার মানে এই নয় যে সমাজে বিরোধী গুপ্ত গোষ্টী বা ফ্যসিষ্টদের বারংবার অপরাধ মেনে নিয়ে মাফ করেই যাবে তাহালে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি সরকার ০৫ বছর কাটাতে পারবেনা।কারন কথা ক্লিয়ার ময়লা নোংরা পানিতে নেমে ওজু করার কোন অর্থ হয়না।ওজু পরিশুদ্ধ করতে চাইলে প্রথমেই ময়লাকে পরিস্কার করতেই হবে।
ডিপ ষ্ট্যাটের নিয়ন্ত্রক আমলারা আইনের দোহাই দিয়ে কিছু মাথামোটা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছে।যার ফলে আগামীতে বিএনপির জন্য হয়তো বড় ধরনের খেসারত অপেক্ষা করছে।অন্যদিকে সুকৌশলে এই চক্রটি সবচেয়ে ভয়ংকর যে কাজটি করছে তা হলো বিএনপির প্রান ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কৌশলে বের করে দূরে ঠেলে দিয়ে আওয়ামী হাইব্রীডদের বিভিন্ন কমিটিসহ সরাসরি সামনে নিয়ে আসছে।
অন্যদিকে বিএনপিই সম্ভবত একটা দল যেখানে ত্যাগীদের বিচার পাওয়ার কোন অধিকার বা সুযোগ নেই ।সকল সময়েই দুষ্ট হাইব্রিড সুবিধাভোগী চক্রটি এগিয়ে থাকে।মজলুম ত্যাগীদের সীমাহীন ভালোবাসার জোড়ে হয়তো এই চক্রটি সুবিধা করতে পারে নাই।তবে ১৭ বছরের রাস্তায় মার খাওয়া ,স্বজন হারা,জেল জেলুমের স্বীকার হওয়া,আর্থিকভাবে নি;স্ব হওয়া নেতাকর্মীরা যদি এইবার অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহালে দলের জন্য ভবিষতে চরম বিপদ অপেক্ষা করছে।
বিএনপিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের যে একমাত্র চেয়ারম্যন(তারেক রহমান)ছাড়া কোন অভিযোগের ফায়সালা হয়না বা সঠিক প্রাপ্য পায়না এর জৌলুস প্রমান আমি নিজেও অনেক দিতে পারবো।গত ১৭ বছরে আলহামদুলিল্লাহ দলের সর্বচ্চ পর্যায় পর্যন্ত কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে।দলের দুষ্ট চক্রের অনিয়ম নিয়ে একাধিকজনের বিরুদ্ধে মহাসচিব মহোদয়ের কাছে বিচার দিলেও সঠিক হিসাবে স্বীকার করার করার পরেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ার অনেক দৃষ্টান্ত আছে।দু-একজন নেতা আছেন শুধু গীতা পাঠ করেন বাকি অনিয়মগুলো দেখে চোখ বন্ধ করে রাখেন।
এমনকি আমি স্বং চেয়ারম্যানকে অনিয়য়মের অভিযোগ জানালে তা নিরসনের জন্য (চেয়ারম্যান মহোদয়)ব্যবস্থা নিতে বললেও মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হতে ঠিক উল্টোটা ঘটেছে।আগে কমিটিতে ছিলো ২-১ জন সমস্য আর চেয়ারম্যন কারকশনের জন্য বলে দিলে ৩৩ এর ২৩ জনই ফ্যাসিষ্ট ও ফ্যাসিষ্টের সহযোগীকে দিয়ে কমিটি করেছেন । ৫ই আগষ্ট পরবর্তীতে এমন ঘটনা অহরহ অধিকাংশ কমিটিতে।অথচ এতো বড় একটা দল ডিজিটাল যুগে ত্যাগীদের নির্বাচনে ভুল করার কোন যুক্তিই নেই।চেয়ারম্যন মহোদয়কে শেষ পর্যন্ত AI এর মাধ্যমেই হয়তো নেতাকর্মী নির্বাচন ও ডাটা সংরক্ষন করতে হতে পারে।
অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী আমাদের বিএনপির চেয়ারম্যন তারেক রহমানের মতো এতো নির্ভেজাল কর্মীবান্ধব দলপ্রেমিক নেতা বাংলাদেশ কেন পৃথিবীতেও আর দ্বিতীয়টি আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে।যিনি কর্মীকে ভালোবাসেন তার পরিবারের চেয়ে তার জীবনের চেয়েও বেশি।এইটা তার সানিদ্ধ্য যারা পেয়েছে তারাই বুঝতে পেরেছে।৯৬ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এবং সর্বশেষ ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে যেদিন দেশে ফিরেন এবং নির্বাচনী প্রচারনায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় গেলে নেতাকর্মীদের পার্শ্বে পেয়ে কতটা আবেগপ্রবন হয়ে পড়েছিলেন সেইটা সবাই আমরা দেখতে পেয়েছি।সেই নেতার দলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলের কাছে ন্যয় বিচার না পাওয়ায় অভিমানে দলবিমুখ হওয়া দু;খজনক ও হতাশাজনক।দল ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাচানোর স্বার্থে অবিলম্বে সরাসরি চেয়ারম্যান মহোদয়ের তত্ববধানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এআই ভিত্তিক হইলেও করা অত্যবশ্যক হয়ে পড়েছে।অতীতের কৃতকর্ম ও কমিটির তালিকা,মামলার সাপেক্ষে সর্বশেষ কর্মীদের পুনর্বাসন ও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত শেষেই কেবল দ্বিতীয় বিকল্প ভাবনা হওয়া উচিত।ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে ত্যাগীদের নির্বাচনের পাশাপাশি বিশেষ এলাকার একান্ত কট্ররপন্থী দলভক্তদের দিয়ে শুধু দলের নেতাকর্মীদের অপকর্ম ও সরকারের ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে এমন কার্য্যক্রম রিপোর্ট তৈরি করে সরাসরি চেয়ারম্যান মহোদয় এর দপ্তরে পাঠানো গেলে দল ও সরকার অনেক উপকৃত হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভুলেই গিয়েছেন অথবা তার নতুন উপদেষ্টারা ভুলিয়ে দিচ্ছেন ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত তার ম্যজিক্যাল ক্যারিশমাটিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতার কারনে সারাদেশে ব্যাপক গনসংযোগে তার আকাশ্চুম্বী জনপ্রিয়তায় ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসায় অনেক গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে আর সেই ভয় পেয়ে শেখ হাসিনা র এর উপর ভর করে তখন থেকেই দেশীয় আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন এজেন্সিকে লেলিয়ে দিয়ে তার জনপ্রিয়তায় অপপ্রচারের কলংকের কালিমা ফেলাইয়া সফলও হয়। আর তার খেসারত দিতে হয়ছে আজকের প্রধানমন্ত্রী এবং গনতন্ত্রের মাতা বেগম জিয়া ,জিয়া পরিবারসহ লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের গুম,খুন,জেল জুলুম ,নির্যাতনের মাধ্যমে।
সারাদেশে সকল সেক্টরে সকল ডিপার্ট্মেন্টে ডিপ ষ্ট্যাটের ভুতেরা আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট অফিসাররা টেন্ডারসহ সকল প্রকিউরমেন্টে কোননা কোনভাবে নতুন নতুন Clause আবিস্কার করছে ।এমনিতেই প্রকিউরমেন্ট ই-জিপি তৈরী করা হয়েছিলো আওয়ামী প্রতিষ্টানের সুবিধা বিবেচনায় তার ফলশ্রতিতে গত ১০ বছরে আওয়ামী প্রতিষ্টানগুলোকে এমনভাবে হেলদি এবং আইনের কাঠামোয় তৈরী করা হয়েছে এখন তাদের ফল পাওয়ার সময়।
মানবিক সরকার মানে সবার সরকার মানলাম কিন্তু যে কর্মীটি বা নাগরিক দলের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে জীবন যৌবন,পরিবার অর্থ সর্বস্ব খুইয়েছে তার কর্মসংস্থান বা পুনর্বাসন অবশ্যই অন্যদের আগে হওয়া উচিত ।এমনকি গত ১৭ বছরে যে মানুষটি বা গোষ্টিটি বিএনপি বা ছাত্রদল বা অন্য অংগসংঠন করার কারনে তাদের উপর সীমাহীন নির্যাতন চালিয়েছে তার কর্মসংস্থান দলের ত্যাগী ভাইয়ের আগেই হচ্ছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান বা পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সরকারের এমন অবিচার মানতে নারাজ।কেননা রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যুদ্ধ করা সৈনিকের চেয়ে শত্রুপক্ষের পুনর্বাসন রীতিমতো রাষ্ট্রবিরোধী কাজ বা অন্যয়।এইটা আমি বা আমরা ফ্যাসিষ্টবিরোধী যোদ্ধা বা জুলাই যোদ্ধা হিসাবে কোনভাবেই মানবোনা।
৫ই আগষ্ট পরবর্তী থেকে এখন পর্যন্ত দলের সত্যকারের ত্যাগীকর্মীরা দলের সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন কোন কার্য্যক্রম করেনি এইটা হলফ করে বলা যাবে।অথচ বিএনপির প্রান সেই নেতাকর্মীদের এখনো যখন দেখা যায় এক কাপ চা খাওয়ার জন্য অথবা পকেট খরচের জন্য বড় ভাইদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় আমি জানিনা দলের শীর্ষ নেতাদের কি হয় আমাদের মতো সাধারনদের বুক ফেটে যায়।গত ১৭ বছর দলের নির্দেশ পালন করা মানবেতর জীবনযাপন কাটানো শীতের রাতে পুকুরে ও ধানখেতে কাটানো একবেলা খেয়ে না খেয়ে থাকা নেতা বা কর্মিটি এখনো দু;সহ জীবনযাপন করছে অথচ এখন দলের সরকারের উচিত অগ্রাধিকারভিত্তিতে তাদের হাতে দু-বেলা খাবারের কর্মসংস্থানের টিকিটের ব্যবস্থা করা।আমার ব্যক্তি পর্যায় থেকে গত ১৭ বছরে মাঠে ঘাটের এমনকি অনেক কেন্দ্রীয় নেতাদের পার্শ্বে থেকে চেষ্টা করেছি যথাসাধ্য আর্থিক লজিষ্টিক সাপোর্ট দিতে।তাই হয়তো এখনো তাদের জন্য কষ্ট হয় দল ও সরকার কি করছে তা্দের জন্য।
আওয়ামী আইনকানুন ও প্রকিউরমেন্টের মাধ্যমে প্রকারন্তরে ফ্যাসিষ্টদের নতুন করে জীবন দান শুরু করেছেন বর্তমান সরকার যেইটার মুল নিয়ন্ত্রক ডিপ ষ্ট্যাটের কর্মকর্তারা।
এখন পর্যন্ত এই সকল তথ্যা উতঘাটনের কোন ব্যবস্থা নেওয়াতো হয়নি বরং উলটো ফ্যাসিষ্ট কর্মকর্তাদের জয়জয়কার।সাবেক ছাত্রলীগের সক্রিয় ছেলেটি আজকের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা ছেলেটিই প্রধানমন্ত্রীর নিজ জন্মভূমির বগুড়ার সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী।এভাবেই চলছে সর্বত্র।এরকম হাজারো তথ্যা আছে আমাদের ভান্ডারে।
দলের নামে যারা অপকর্ম করছে বিশেষ করে ঢাকায় তুরাগ নদীর,বুড়িগংগা নদীর পার্শ্বে থাকা পতীত সরকারী জমি,রাজউকের শত শত বিঘা জমি,বাস টার্মিনাল ইতিপুর্বে আওয়ামীলিগ এর নেতাকর্মীরা দখল করে রেখে বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্য্যক্রম চালিয়ে গেলেও এখন মুলতঃ তারাই কিছু ক্ষেত্রে সেই লীগের ভাই বা মামা অন্য কোন পরিচয়ে হাইব্রিডরা বিএনপি সেজে দখলবাজী চাদাবাজি করছে।নাম বিক্রি করছে বিএনপির।
অথচ সরকার যদি সুষ্ট্র ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিজ দলের নেতাকর্মীদের মাঝে লীজের মাধ্যমে এই পতিত জমিগুলো দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাহালে একদিকে সরকার প্রায় শতকোটি টাকা রাজস্ব পাবে ।একদিকে দলের ত্যাগী কর্মীরা কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দলের প্রতি ভালোবাসা রাখতে পারবে অন্যদিকে আওয়ামী হাইব্রীডরা সিটি কর্পোরেশনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীদের অপকর্মের ভার দলের বা সরকারের প্রতি আসবেনা।মহাখালী বাস টার্মিনালে মাত্র ৪০টি বৈধ বাস কাউন্টারের বিপরীতে প্রায় ১০০ টি অবৈধ কাউন্টার ও দোকান আওয়ামী সেই মাফিয়াতন্ত্র ও নতুন সাজা বিএনপি হাইব্রীডদের দখলে কিছু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে চলছে।সরকার কত টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে এখানে?
পরিবহন সেক্টরে বিএনপির নাম দিয়ে একটা গোষ্টী এসোসিয়েসন ও ফেডারেশনের নেতৃত্বের দোকান খুললেও সেই আওয়ামীলিগারদেই জয়জয়কার বরং বিএনপি বা আওয়ামীলিগ করেনা এমন সাধারন ব্যক্তির নিকট থেকে ব্যানার নিয়ে আওয়ামীলিগের দোসরদের হাতে দেওয়া হয়েছে মোটা অংকের সুবিধার বিনিময়ে ।পরিবর্তন হয়েছে হয়তো আগের ব্যানারের মালিক গাড়ি প্রতি জিপি নিতেন ৫০০ টাকা আর এখন আওয়ামীলিগের দোসরের হাতে নেওয়ার পর জিপি নেয়া হয় ১২০০ টাকা ।এই সেক্টরে পুরো অংশটাই প্রায় আওয়ামী সিন্ডিকেটের হাতে যেসকল ব্যক্তি বিএনপির নাম ধরে ডেকোরেটিভ নেতা হিসাবে আছে তারা একটা ক্লোন ফ্রেমের কাজ করে একটা সুবিধা আদায় করছেন মাত্র।অথচ এই সেক্টরে থাকা পরিবহনের শ্রমিক ও মালিকরা যারা বিএনপির জন্য খেটেছেন তারা ধারে কাছেও ঘেষতে পারেনাই।বরং এই সিন্ডিকেটের একটা অংশ সরাসরি হুমকি দেয় প্রধানমন্ত্রী এলেও ত্যাদের ম্যানেজ করে ব্যবসা করতে হবে। যাহার সরাসরি ঘটনার স্বাক্ষী স্বং প্রশাসক।
আওয়ামী এই সিন্ডিকেটের প্রমান পেয়েছি গত ইন্টেরিম সরকারের আমলে ।হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামীলিগ হরতালের ডাক দিলে আওয়ামী সিন্ডিকেটের বাস ব্যানারের মালিকরা সিটিং সার্ভিস ও দূরপাল্লার কোন বাস ছাড়েননি।ভবিষতেও তারা একই কাজের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।এর জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় বর্নচোরা নেতারা দায়ী।
৫ই আগষ্ট পরবর্তীতে জামাত যেখানে তাদের নেতাকর্মী সমর্থকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে রাষ্ট্রীয় খরচে ও ব্যবস্থাপনায় পুনর্বাসন করেছে এবং কিছু আওয়ামী কর্মকর্তাদের হায়ার করে খরিদ করেছে নিজেরা শেল্টার দিয়ে ও সুবিধা নিয়ে সেখানে বিএনপির উল্লেখযোগ্য নেতারা শুধু নিজেরা নিজেদেরকে নিয়ে ভেবেছে এবং সুবিধা আদায় করেছে । দলের শীর্ষ নেতাদের পিএস থেকে শুরু করে যাদের সাধ্য ছিলো পারলে তারা আওয়ামীলিগের জন্য সুপারিশ করেছে কারন দলের ত্যাগী নেতাদের কাছেতো টাকাও নেই আর তাদের কাছে চাইতেও পারবেনা।ফলে হাইব্রিডদের কানেক্টিভিটি ও উত্থান ঘটেছে মুলতঃ ওখান থেকেই।
দলের ত্যাগীদের কথা কেউ ভাবে নাই ।ফ্রন্ট লাইনে চলে এসেছিলো দলে থাকা কিছু দুষ্ট বা আওয়ামী নেতাদের ভাই বিএনপি না করলেও বিএনপি সেজে বিভিন্ন স্পটে ,বিভিন্ন ষ্ট্যান্ডে ,খেয়া ঘাটে চাদাবাজি করছে বিচার শালীশের নামে সেই ছাত্রলীগ ফ্যাসিষ্টদের সাথে নিয়ে মাঠে ঘাটে মহরা দিয়েছে এমনকি এরাই ভোট চাইতে গিয়েছে ভোটারদের কাছে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্বাচন পরিচালনা নামের শুধু কাগজে কমিটি হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে বাড়ি বাড়ি যাওয়া পড়েনি। বখাটেদের দিয়ে রাস্তাঘাটে টেবিলে বসে মাইক ছেড়ে লিফলেট দিয়েছে যাহারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো এমন প্রমান ঢাকা মহানগর উত্তরে অসংখ্যা আছে যাহা আমাদের তথ্যা ভান্ডারে আছে।
স্বাধীনতাবিরোধী দল হিসাবে জামাত ২০০১,২০০৮ সালে ভোট ৪.২৮% এর বেশি পায়নি ।হঠাত করে এমন কোন প্রেক্ষাপট তৈরী হয়নি যাহাতে জামাতের ভোট ৩২% হওয়ার কথা? এইটা বিএনপির পলিসি ও নেতাকর্মীদের জন্যই কেবল সম্ভব হয়েছে।বিএনপি ফেব্রায়ারী ২০২৬ এ ক্ষমতায় এসে ২ মাস যেতে না যেতেই আবার ও আওয়ামি সময়ে গুপ্ত থাকা দলের কর্মীরা যেভাবে অপপ্রচার শুরু করেছে শক্ত হাতে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে মোকাবেলা না করলে বাংলাদেশের জনগন কিন্তু শক্তের ভক্ত হতেই বেশি স্বাছন্দ বোধ করে।
বিএনপি তথা সরকার তথা ত্যাগী নেতাকর্মী একে অপরের সমার্থক ও পরিপুরক ।সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সবিনয়ে অনুরোধ অবিলম্বে নৈরাজ্যর গভীরে যে ঘটনাগুলো বা ষড়যন্ত্রগুলো কাজ করছে তার সামান্যতম তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে ।বিষয়গুলো বিবেচনাপুর্বক অনতিবিলম্বে একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র,সরকার ও পরিশুদ্ধ কর্মীবান্ধব দল গড়ে তুলে স্ব-নির্ভর সুখী সমৃদ্ধ স্বাবলম্বী দেশ গড়ে তুলবেন এবং কাংখিত সবার আগে বাংলাদেশ গড়বে বলে আশাবাদি।
ইঞ্জিঃজাহাঙ্গীর আলম
সাবেক ছাত্রনেতা(বগুড়া)
চেয়ারম্যান, বগুড়া ডেভেলপমেন্ট অর্গ্যা.ঢাকা(BDOD)
Leave a Reply