কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
লামা উপজেলার ফাইতং এলাকায় রয়েছে অর্ধশতাধিক ইটভাটা এই ইটভাটায় কাঁচা মাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের মাটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে পাহাড়ের মূল্যবান গাছের চারা।নীরবে নিভৃতে কাঁদে বনভূমির বন্যপ্রাণী ও অসহায় পাহাড়ি বাঙালি। এর কারণ কি তদন্ত করতে গিয়ে পাহাড়ি,বাঙালিদের সাথে কথা বললে তারা বলেন কারণ কি তা সাংবাদিকদের বলে কোন লাভ নেই আমাদের কান্নার কারণ বলে আমাদের উপকার হবে দূরে থাক বরং আমরা ইটভাটা মালিকদের কাছে হয়রানির শিকার হই। সাংবাদিকরা আমাদের মুখের কথা ভিডিও চিত্র ধারণ করে ইটভাটার মালিকদের দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিউজ করেন না বরং ভিডিও চিত্র টা ইটভাটা মালিকদের দিয়ে দে এরপর শুরু হয় আমাদের উপর নির্যাতন। তবুও তাদের নাম গোপন রাখা হবে বলে কথা দিলে তারা বলেন
লামার ফাইতং বদরটিলা সংলগ্ন এফএসি ইটভাটার দৃশ্য এখন শুধু একটি স্থানের চিত্র নয় এটি হয়ে উঠেছে পরিবেশগত উদ্বেগের প্রতীক। যেখানে সবুজ বনভূমি রক্ষার কথা, সেখানে প্রশ্ন উঠছে বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে। বন বিভাগের সম্পদ রক্ষা করতে সরকারের পক্ষ থেকে বনভূমি পাহারা দেয়ার জন্য রাখা হয়েছে রক্ষক অথচ এই রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে যায় তখন পাহাড়ি মুল্যবান সম্পদ উজাড় হয়ে যায় এর কারণে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব।এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন আমরা কিছু দিন পূর্বে ফাইতং এলাকার বন সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা করতে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে ঐ এলাকার ইটভাটা মালিকদের ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছি কিন্তু আমরা কতক্ষন বাহির থেকে গিয়ে অভিযান করব স্থানীয় বনবিভাগের দায়িত্ব বন সম্পদ রক্ষা করা অথচ তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে তা অবশ্যই রহস্যময় এই রহস্য উদঘাটন করতে হলে বনবিভাগের উপরস্থ মহলের হস্তক্ষেপ করতে হবে নাহলে দিনের পর দিন পাহাড়ি সম্পদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে আর বনভূমি বিলুপ্ত হওয়ার কারণে হাতি ও বন্যপ্রাণীরা আক্রমণ করছে লোকালয়ে এতে করে প্রতিবছর মারা যায় পাহাড়ি,বাঙালি এই মৃত্যুর দায়দায়িত্ব কে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ফাইতং এলাকার ইটভাটার মালিক ও বনবিভাগ।
Leave a Reply