কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রাম উত্তর জেলার রাংগুনিয়া আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী এম, পি সাহেব ফসলি জমি ও পাহাড় কেটে বালু ও মাটি উৎলন না করার জন্য কঠিন দিক নির্দেশনা দেওয়ার পর ও এক মুহুর্তের জন্য ও থেমে নেই মাটি ও বালু উত্তোলন এবং পাচার। এই বিষয়ে সচেতন মহল বলেন এই জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন কে দায়ী করতে হবে। হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি এই অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ করতে জিরু টলারেন্স ঘোষণা করেছেন কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এলাকাবাসী এই সম্পর্কে বলেছেন তিনি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ঢাকায় থাকেন উনি এলাকায় আসলে মাটি ও বালু খেকোরা অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করে কিন্তু এমপি সাহেব ঢাকা চলে গেলে সাথে সাথে আবার ও মাটি ও বালু উত্তোলন শুরু হয় এমপি সাহেবের একার পক্ষে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়। আসলে এই সমস্ত অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করা উপজেলা প্রশাসনের দ্বায়িত্ব অথচ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন নীরব তাদের এই নিরবতার কারণে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপির কঠোর নির্দেশ থাকার পরও বালু ও মাটি খেকোরা নির্দেশ অমান্য করে, আইনকে তোয়াক্কা নাকরে অহরহ বালু ও ফসলি জমির মাটি ও পাহাড় কেটে মাটি ও বালু পাচার হচ্ছে। সচেতন মহল বলেন কি করে মাটি ও বালু খেকোরা তাদের এই কার্যক্রম রাতদিন চলমান রেখেছেন এই সমস্ত মাটি ও বালু খেকোদের খুটির জোর কোথায় আইন কে তোয়াক্কা না করে কেমন করে জমজমাট ভাবে এই মাটি ও বালু পাচার হচ্ছে বালু পাচারে জড়িত এরা কারা এইআইন অমান্য কারী চির তরে বন্ধ করার দাবী করছেন, সচেতন নাগরিক মহল ও রাংগুনিয়ার সর্বস্তরের জন সাধারণ।
Leave a Reply