1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শ্রদ্ধা ও রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেরাজুল হোসেনকে – পাঁচবিবিতে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ তিনদিনব্যাপী গ্রীন রোড শো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আবু সুফিয়ান এমপিপরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে গ্যাসের দামে পানি কিনছেন খাগড়াছড়িবাসী! সিলিন্ডার জালিয়াতির ঘটনায় জরিমানা খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্যবিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন—–ডা. শফিকুর রহমান কুড়িগ্রামে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র ইউনিয়ন যুগ্ন আহবায়ককে কুপিয়ে জখম পাঁচবিবিতে সামাজিক বনায়ন বৃক্ষরোপণ রাজশাহীতে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি রোকনপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদকদ্রব্য আটক। মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত

মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে মইনীয়া যুব ফোরামের মানববন্ধন:সকল স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে :
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অরাজনৈতিক যুব সংগঠন মইনীয়া যুব ফোরাম। এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন আল হাসানী। এতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তির নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি আজ হুমকির মুখে। ভিন্নমতের মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন মাজার, খানকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার—নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার—কে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বলেন, মানবাধিকার রক্ষা এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার জন্য জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে মাজার, খানকা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে তারা উল্লেখ করেন।

এ লক্ষ্যে তারা সরকারের কাছে ৭ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবগুলো হলো—
১. সকল নাগরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাজার ও খানকার নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি ও নজরদারি বৃদ্ধি।
২. সহিংসতা, বিদ্বেষ ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।
৩. চুরি, ডাকাতি, খুন ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
৪. মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান।
৫. সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদার করা।
৬. সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান।
৭. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি।

বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ, মানবাধিকার রক্ষা এবং মাজার-খানকাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ