1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আমতলীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ সেচ—চরম বিপাকে কৃষক ডিজেল-পেট্রোলের অভাব, বিদ্যুতের ঘাটতি ও বাড়তি দামে জ্বালানি—ফসল হুমকির মুখে জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ—সেনবাগে খাল কাটার কাজ শুরু ৫০০ টাকায় সাংবাদিক তৈরির কারখানা “দৈনিক বাংলার সংবাদ” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান রাঙ্গুনিয়ায় এমপির নির্দেশ অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন নীরব চারা নিতে গিয়ে আর ফেরা হলো না: নোয়াখালীতে প্রাণ গেল ২ জনের শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

বাজার জমেনি, ২৯ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেবেন খুলনার টেইলার্স ব্যবসায়িরা গার্মেন্টস পোশাকের বাজার দখলের কারণে মার খাচ্ছে স্থানীয় তৈরী পোশাক, ব্যবসায়িরা হতাশ

  • প্রকাশকাল: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

দেখতে দেখতে ৮টি রোজা পার হয়ে গেল। এখনও খুলনার ঈদের বাজার জমে ওঠেনি। তবে এই সময়ে তৈরী পোশাকের (টেইলার্স) দোকানগুলোতে বেশ ভীড় থাকে। কিন্তু এবার সেরকম দৃশ্য চেখে পড়েনি। কয়েক বছর আগেই দশ রমজানের মধ্যে টৈইলার্সগুলোতে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু দেশীয় তৈরী পোশাক কোম্পানির বাজার দখলে চলে যাওয়ার কারণে মার খাচ্ছে টেইলাসগুলো।

গার্মেন্টস- তৈরী প্যান্ট শার্টের যে দাম তার থেকে টেইলার্সে কাপড় কিনে তৈরী করতে খরচ দ্বিগুণ। ফলে খুলনার টেইলার্স মালিকরা খুবই হতাশ। ফলে অনেক টেইলার্স মালিকরা ২৫ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নেওয়ার কথা বলেছেন। কেউ কেউ ২৯ রোজা পর্যন্ত অর্ডার নেবেন।

তবে ব্যবসায়িরা ঈদের বেতন-বোনাসের অপেক্ষায় আছেন। ব্যবসায়িরা বলেছেন সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীজীবিরা বেতন-বোনাস পেলে মার্কেটে আসবেন। ফলে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ব্যবসা ভালো হবে বলে তাদের ধারণা।

আজ শুক্রবার খুলনার আখতার চেম্বার, হাজী মালেক চেম্বার, খুলনা শপিং কম্লেক্স, রেলওয়ে বিপণী বিতান, নিউ মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেন ঘুরে এ তথ্য জানাগেছে।

আখতার চেম্বার মাকের্টে অবস্থিত স্টুডেন্ট টেইলার্সের ম্যানেজার শান্তুনু জানায়, ঈদের অর্ডার শুরু হয়েছে। কিন্তু কম। তবে মাসের শেষে কিছু অর্ডার বাড়বে। চাকরীজীবীরা মাস শেষে বেতন ও ঈদ বোনাস পাবেন। তখন কাজ ডবল হবে। এখন আপাতত কম আছে।

তিনি বলেন, আগের তুলনায় একটু কাজ বেড়েছে। কবে থেকে অর্ডার নেওয়া শেষ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদের এক সপ্তাহ আগে বন্ধ হয়ে যাবে। বিগত দিনগুলোতে ১০-১৫ রমজানের মধ্যে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে যেত। মাসের মধ্য থেকে রোজা শুরু হওয়ার কারণে কাজ কিছুটা কমে গিয়েছে। তাছাড়া অনেকেই ঝামেলা এড়াতে রেডিমেট গার্মেন্ট পণ্য ব্যবহার করার কারণে কাজ অনেকটা কমে গেছে। তবে শার্ট ও প্যান্টের পিচের দাম বেড়েছে। শার্টের বানী পাঁচশ’ এবং প্যান্টের বানী ছয়শ” টাকা। গত তিন বছর ধরে একই দাম নির্ধারিত রয়েছে।

এ্যাবকো ক্লথ স্টোরের মালিক জাভেদ জানান, বিকিকিনি মোটামুটি। প্যান্ট ও শার্ট পিসের দাম বেড়েছে কি না জানতে চাইলে প্রথমে মাথা নেড়ে বলেন, বেড়েছে। পরবর্তী তিনি অস্বীকার করেন। তার দোকানে চায়না এবং ইন্ডিয়ান কাপড়ের সরবরাহ বেশি। তবে এ বছরের পাকিস্তানী কিছু কাপড় উঠানো হয়েছে। ঈদে পাঞ্জাবীর কাপড় বেশ চলছে। কাবলীর জন্য পাকিস্তানী কাপড়ের সাড়া পড়েছে। সব বয়সীর ক্রেতা আসছে তার দোকানে।

বিসমিল্লাহ ক্লথ স্টোরের কর্মচারী সুভাষ কুমার রায় বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার কাপড় বিক্রির পরিমান একটু বেড়েছে। কিন্তু সার্বিক দিক থেকে তেমন বিকিকিনি নেই। কোন রকমের টুকটাক চলছে। সবেমাত্র ৮ টি রমজান অতিবাহিত হচ্ছে। ক্রেতারা আসছে কিন্তু তারা দেখে চলে যাচ্ছেন। রমজান মাসের মধ্য থেকে শুরু হওয়ায় অনেকের হাতে টাকা নেই। যে কারণে অনেকই কাপড় কিনতে মার্কেটে আসছেন না। মাসের বেতন ও বোনাস পেলে তারা এখানে আসবেন এবং কাপড় কিনবেন।

হাজী মালেক চেম্বারের বস টেইলার্সের ওমর ফারুখ জানান, দীর্ঘদিন ব্যবসায়ে মন্দা ছিল। একটু পরিবর্তন হয়েছে। এখন টুকটাক যে কাজ হচ্ছে তাতে দর্জি শ্রমিকদের মোটামুটি চলছে। কিছু অর্ডার হচ্ছে। রেডিমেট কাপড়ের প্রভাবে কাজ অনেকটা কমে গেছে বলে তিনি জানান।

নাগরিক, অধরা, ফ্যাব্রিক্স প্লাস, ওয়ের্ষ্টান ইন, সুমন, সাজকো, এ্যাবকো, পির্স ফ্যাব্রিক্স, হলিউড টেইলার্স এন্ড ক্লথ ষ্টোরের মালিক-কর্মচারিরা বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অর্ডার বাড়বে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ