1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আমতলীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ সেচ—চরম বিপাকে কৃষক ডিজেল-পেট্রোলের অভাব, বিদ্যুতের ঘাটতি ও বাড়তি দামে জ্বালানি—ফসল হুমকির মুখে জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ—সেনবাগে খাল কাটার কাজ শুরু ৫০০ টাকায় সাংবাদিক তৈরির কারখানা “দৈনিক বাংলার সংবাদ” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান রাঙ্গুনিয়ায় এমপির নির্দেশ অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন নীরব চারা নিতে গিয়ে আর ফেরা হলো না: নোয়াখালীতে প্রাণ গেল ২ জনের শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ডুমুরিয়ায় মশার উপদ্রব, মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা ।।
খুলনার ডুমুরিয়াসহ‌‌ সারা দেশে আবার হঠাৎ মশার উপদ্রব অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে । প্রতিবছরের মতো এবারও মৌসুম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শহর ও গ্রাম-সবখানেই মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরি-বোরো ধান চাষের সময় জমিতে জমে থাকা পানি, খালবিল ও জলাবদ্ধ এলাকাগুলো মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন যেমন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে, তেমনি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি এখন আর শুধু বিরক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য-সংকটে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের মোঃ শাহজাহান ফকির বলেন তারাবিহর নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিরাও মশার কামড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
একসময় আমাদের শৈশবে‌ দেখা যেত, সরকারি উদ্যোগে উড়োজাহাজ বা আকাশপথ ব্যবহার করে বিস্তীর্ণ এলাকায় মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। আকাশ থেকে ওষুধ ছিটানোর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বড় এলাকার মশার সংখ্যা কমে যেত। দুঃখজনক হলেও সত্য সেই কার্যকর উদ্যোগ এখন আর দেখা যায় না। কেন এই পদ্ধতি বন্ধ হয়ে গেল, তা আজও সাধারণ মানুষের অজানা।
জি‌এম‌ মিন্টু বলেন বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।। শহরাঞ্চলে কিছু কার্যক্রম চোখে পড়লেও গ্রামাঞ্চল উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। অথচ বাস্তবতা হলো মশার উৎপত্তিস্থল সৃষ্টি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রামীণ জলাবদ্ধ জমি, ধানখেত ও অপরিকল্পিত পানি ব্যবস্থাপনা। তাই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, দেশব্যাপী সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ