1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. wp-manager@gmail.com : wp-manager wp-manager : wp-manager wp-manager
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হাটভোগদিয়ায় মানবিক উদ্যোগ: ১৫০ পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ২০০ রোজাদারকে ইফতার দোকানে ঢুকল তেলবাহী লরি:নোয়াখালীতে বাবার মৃত্যুর ছয়দিন পর ছেলের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একনেকের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে মনোহরদী থানা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন ডুমুরিয়ায় মশার উপদ্রব, মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় সিরাপ সহ ০১জন আসামি আটক ” রমজানের জরুরী আহবান “-আল্লামা ইমাম হায়াত বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সংযোগের পরও ‘ভূতুরে বিল, ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ কেন্দ্রীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগেরঅতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ শফিকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা নয়াবাজার বাস পরিবহন থেকে 6 থেকে ৭শত টাকা চাঁদা তুলে বেড়াচ্ছে সানাউল্লা কে এই নয়া বাজারের সানাউল্লাহ

ডুমুরিয়ায় মশার উপদ্রব, মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা ।।
খুলনার ডুমুরিয়াসহ‌‌ সারা দেশে আবার হঠাৎ মশার উপদ্রব অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে । প্রতিবছরের মতো এবারও মৌসুম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শহর ও গ্রাম-সবখানেই মানুষ মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইরি-বোরো ধান চাষের সময় জমিতে জমে থাকা পানি, খালবিল ও জলাবদ্ধ এলাকাগুলো মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন যেমন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে, তেমনি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি এখন আর শুধু বিরক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য-সংকটে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের মোঃ শাহজাহান ফকির বলেন তারাবিহর নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিরাও মশার কামড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
একসময় আমাদের শৈশবে‌ দেখা যেত, সরকারি উদ্যোগে উড়োজাহাজ বা আকাশপথ ব্যবহার করে বিস্তীর্ণ এলাকায় মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। আকাশ থেকে ওষুধ ছিটানোর ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বড় এলাকার মশার সংখ্যা কমে যেত। দুঃখজনক হলেও সত্য সেই কার্যকর উদ্যোগ এখন আর দেখা যায় না। কেন এই পদ্ধতি বন্ধ হয়ে গেল, তা আজও সাধারণ মানুষের অজানা।
জি‌এম‌ মিন্টু বলেন বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।। শহরাঞ্চলে কিছু কার্যক্রম চোখে পড়লেও গ্রামাঞ্চল উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। অথচ বাস্তবতা হলো মশার উৎপত্তিস্থল সৃষ্টি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রামীণ জলাবদ্ধ জমি, ধানখেত ও অপরিকল্পিত পানি ব্যবস্থাপনা। তাই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে শুধু শহরকেন্দ্রিক নয়, দেশব্যাপী সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ