1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আমতলীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ সেচ—চরম বিপাকে কৃষক ডিজেল-পেট্রোলের অভাব, বিদ্যুতের ঘাটতি ও বাড়তি দামে জ্বালানি—ফসল হুমকির মুখে জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ—সেনবাগে খাল কাটার কাজ শুরু ৫০০ টাকায় সাংবাদিক তৈরির কারখানা “দৈনিক বাংলার সংবাদ” নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান রাঙ্গুনিয়ায় এমপির নির্দেশ অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন নীরব চারা নিতে গিয়ে আর ফেরা হলো না: নোয়াখালীতে প্রাণ গেল ২ জনের শিক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে কালিয়াকৈর পৌরসভা নির্বাচন: ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে তারুণ্যের পছন্দ মো: মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের আলোচনা সভা বীরগঞ্জ পৌরসভায় বাসযোগ্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ তৈরীর নির্দেশনা। সঙ্গীত কলেজে শিক্ষক বিতর্ক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

নোয়াখালীর স্কুলে দপ্তরী কেলেঙ্কারি! পর নারীসহ হাতেনাতে আটক-গ্রামবাসীর বিক্ষোভ, অপসারণের দাবিতে আবেদন

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের,ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের ২৯নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী সহিদ উল্যা আরমানকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ওই দপ্তরীকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দপ্তরীকে বেদম মারধর করে।
পরবর্তীতে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দপ্তরী ও ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দপ্তরী এর আগেও বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকও দপ্তরীর অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, “এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিদ্যালয়ে চাকরি করলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।”

গ্রামবাসী দ্রুত দপ্তরীর অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি অভিযুক্ত দপ্তরীর স্থায়ী অপসারণ,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ