1. lifemedia766@gmail.com : admin : Badsah Deoan
  2. crimereport24@gmail.com : Mehedy Hasan : Mehedy Hasan
  3. crime7775@gmail.com : Nure Alom Sah : Nure Alom Sah
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সত্য প্রকাশের ‘শাস্তি’ সংবাদ লিখেই অপপ্রচারের নিশানায়। কলকাতার কফি হাউসে ইতিহাসের ছোঁয়া: আমগাছে সবুজের আহ্বান ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার মধুপুরে গৃহবধুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা -স্বর্ণালংকার লুট থানায় অভিযোগ মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে মালেকের পরিবার আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত মা‌টিরাঙ্গায় ২ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার আ.লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কুড়িগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত কৃষক দলের সভাপতি স্বপনের সাহসিকতায় আটক দুই ছিনতাইকারী মাদরাসা শিক্ষা হবে আরও যুগোপযোগী, শিগগিরই নিয়োগ পাবে শিক্ষকরা

নোয়াখালীর স্কুলে দপ্তরী কেলেঙ্কারি! পর নারীসহ হাতেনাতে আটক-গ্রামবাসীর বিক্ষোভ, অপসারণের দাবিতে আবেদন

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের,ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের ২৯নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী সহিদ উল্যা আরমানকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ওই দপ্তরীকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দপ্তরীকে বেদম মারধর করে।
পরবর্তীতে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দপ্তরী ও ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দপ্তরী এর আগেও বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকও দপ্তরীর অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, “এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিদ্যালয়ে চাকরি করলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।”

গ্রামবাসী দ্রুত দপ্তরীর অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি অভিযুক্ত দপ্তরীর স্থায়ী অপসারণ,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরণের অন্যান্য নিউজ